সালাম
অধ্যায়ে ফিরুন
০১
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৬২
حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَرْحٍ وَحَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ يَسُبُّ ابْنُ آدَمَ الدَّهْرَ وَأَنَا الدَّهْرُ بِيَدِيَ اللَّيْلُ وَالنَّهَارُ " .
আবূ তাহির আহমাদ ইবনু আমর ইবনু সারহ ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমি বলতে শুনেছি, মহান আল্লাহ বলেন, আদম সন্তান সময় ও কালকে গালি-গালাজ করে, অথচ আমিই সময়, আমার হাতেই রাত্রি ও দিবস (এর পরিবর্তন সাধিত হয়)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৬৭, ইসলামিক সেন্টার)
০২
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৬৩
وَحَدَّثَنَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ أَبِي عُمَرَ - قَالَ إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا وَقَالَ ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي، هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ يُؤْذِينِي ابْنُ آدَمَ يَسُبُّ الدَّهْرَ وَأَنَا الدَّهْرُ أُقَلِّبُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ " .
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মহান আল্লাহ বলেন, আদম সন্তান আমাকে দুঃখ দেয়, সে সময়কে গালি দেয়, অথচ আমিই সময়, রাত ও দিন আমিই পরিবর্তন করে থাকি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৬৮, ইসলামিক সেন্টার)
০৩
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৬৪
وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ ابْنِ، الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ يُؤْذِينِي ابْنُ آدَمَ يَقُولُ يَا خَيْبَةَ الدَّهْرِ . فَلاَ يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ يَا خَيْبَةَ الدَّهْرِ . فَإِنِّي أَنَا الدَّهْرُ أُقَلِّبُ لَيْلَهُ وَنَهَارَهُ فَإِذَا شِئْتُ قَبَضْتُهُمَا " .
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পবিত্র ও মহান আল্লাহ বলেন, আদম সন্তান আমাকে দুঃখ দেয়, সে বলে, ‘হায় সময়ের দুর্ভাগ্য। (আমার সময় মন্দ)! তোমাদের কেউ যেন 'হায় সময়ের দুর্ভাগ্য না বলে। কারণ, আমিই তো সময়; আর রাত্রি ও দিবস আমিই পরিবর্তন করে থাকি; আমি যখন ইচ্ছা করি তখন তাদের দু'টিকে সংকুচিত করে দেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৬৯, ইসলামিক সেন্টার)
০৪
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৬৫
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا الْمُغِيرَةُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ يَا خَيْبَةَ الدَّهْرِ . فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ الدَّهْرُ " .
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন 'হায়! সময়ের ধ্বংস’ না বলে। কারণ আল্লাহ সময়ের নিয়ন্ত্রক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭০, ইসলামিক সেন্টার)
০৫
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৬৬
وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَسُبُّوا الدَّهْرَ فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ الدَّهْرُ " .
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমরা সময়কে গালি-গালাজ করো না। কারণ, আল্লাহ সময়ের পরিবর্তনকারী। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭১, ইসলামিক সেন্টার)
০৬
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৬৭
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ الشَّاعِرِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ، سِيرِينَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَسُبُّ أَحَدُكُمُ الدَّهْرَ فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ الدَّهْرُ وَلاَ يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ لِلْعِنَبِ الْكَرْمَ . فَإِنَّ الْكَرْمَ الرَّجُلُ الْمُسْلِمُ " .
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ সময়কে গালি দিবে না। কারণ, আল্লাহ সময়ের নিয়ন্ত্রক। আর তোমাদের কেউ আঙ্গুরকে (বুঝাবার জন্য)العنب এর পরিবর্তেالْكَرْمَ বলবে না। কারণ,الْكَرْمَ বদান্যতা ও মর্যাদা হলো মুসলিম লোক।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭২, ইসলামিক সেন্টার)
০৭
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৬৮
حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَقُولُوا كَرْمٌ . فَإِنَّ الْكَرْمَ قَلْبُ الْمُؤْمِنِ " .
আমর আন নাকিদ ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমরা (আঙ্গুরকে) "আল কারম" বলো না, কারণ 'কারম' হলো মুমিনের অন্তর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭৩, ইসলামিক সেন্টার)
০৮
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৬৯
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تُسَمُّوا الْعِنَبَ الْكَرْمَ فَإِنَّ الْكَرْمَ الرَّجُلُ الْمُسْلِمُ " .
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আঙ্গুরকেالْكَرْم (আল-কারম) নামে ডেকো না। কারণ আল কারম হলো মুসলিম ব্যক্তি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
০৯
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৭০
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا وَرْقَاءُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَقُولَنَّ أَحَدُكُمُ الْكَرْمُ . فَإِنَّمَا الْكَرْمُ قَلْبُ الْمُؤْمِنِ " .
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অবশ্যই তোমাদের কেউ যেন (আঙ্গুরকে) আল-কারম’ না বলে। কারণ আল-কারম হলো মুমিনের অন্তর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
১০
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৭১
وَحَدَّثَنَا ابْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَذَكَرَ أَحَادِيثَ مِنْهَا وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ لِلْعِنَبِ الْكَرْمَ . إِنَّمَا الْكَرْمُ الرَّجُلُ الْمُسْلِمُ " .
ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এ হলো সে সব হাদীস যা আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এ কথা বলে তিনি কতিপয় হাদীস বর্ণনা করেন, সে সবের একটি হলো- রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ আঙ্গুরকে কখনোالْكَرْمَ (আল-কারম) বলবে না। "আল-কারম" তো মুসলিম লোক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭৬, ইসলামিক সেন্টার)
১১
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৭২
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، أَخْبَرَنَا عِيسَى، - يَعْنِي ابْنَ يُونُسَ - عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ سِمَاكِ، بْنِ حَرْبٍ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَقُولُوا الْكَرْمُ . وَلَكِنْ قُولُوا الْحَبَلَةُ " . يَعْنِي الْعِنَبَ .
‘আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) ..... আল্কামাহ ইবনু ওয়ায়িল (রহঃ) তাঁর পিতার সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমরা (আঙ্গুরকে) 'আল-কারম' বলো না বরং الْحَبَلَةُ আল হাবালাহ' বলো। (বর্ণনাকারী বলেন,) তিনি এ কথা বলে আঙ্গুরের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭৭, ইসলামিক সেন্টার)
১২
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৭৩
وَحَدَّثَنِيهِ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكٍ، قَالَ سَمِعْتُ عَلْقَمَةَ بْنَ وَائِلٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَقُولُوا الْكَرْمُ . وَلَكِنْ قُولُوا الْعِنَبُ وَالْحَبَلَةُ " .
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) শু’বাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলকামাহ্ ইবনু ওয়ায়িল (রহঃ) কে তার পিতার সনদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে রিওয়ায়াত করতে শুনেছি। তিনি বলেন, তোমরা (আঙ্গুরকে) 'আল-কারম' বলো না। তবে বলোالْحَبَلَةُ (আল হাবালাহ) ওالْعِنَبُ (আল ইনাব)।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭৭, ইসলামিক সেন্টার)
১৩
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৭৪
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ، وَابْنُ، حُجْرٍ قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - وَهُوَ ابْنُ جَعْفَرٍ - عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ عَبْدِي وَأَمَتِي . كُلُّكُمْ عَبِيدُ اللَّهِ وَكُلُّ نِسَائِكُمْ إِمَاءُ اللَّهِ وَلَكِنْ لِيَقُلْ غُلاَمِي وَجَارِيَتِي وَفَتَاىَ وَفَتَاتِي " .
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব, কুতাইবাহ ও ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন আমার আব্দ ও আমাত তথা আমার বান্দা, আমার বান্দী না বলে। কারণ তোমাদের সকল পুরুষই আল্লাহর বান্দা এবং তোমাদের সকল নারীই আল্লাহর বান্দী। সুতরাং বলবে, গোলামী, ওয়া জারিয়াতী, ওয়া ফাতায়া, ওয়া ফাতাতী' অর্থাৎ, আমার সেবক, আমার সেবিকা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭৮, ইসলামিক সেন্টার)
১৪
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৭৫
وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي، هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ عَبْدِي . فَكُلُّكُمْ عَبِيدُ اللَّهِ وَلَكِنْ لِيَقُلْ فَتَاىَ . وَلاَ يَقُلِ الْعَبْدُ رَبِّي . وَلَكِنْ لِيَقُلْ سَيِّدِي " .
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অবশ্যই তোমাদের কেউ যেন আমার দাস না বলে। কারণ, তোমাদের প্রত্যেকেই আল্লাহর দাস ও বান্দা। তবে সে বলবে আমার সেবক। আর কোন আবদ যেন তার মনিবকে আমার রব্ব’ না বলে বরং বলবে আমার সাইয়্যিদ (মনিব ও নেতা) (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৭৯, ইসলামিক সেন্টার)
১৫
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৭৬
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ الأَشَجُّ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، كِلاَهُمَا عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَفِي حَدِيثِهِمَا " وَلاَ يَقُلِ الْعَبْدُ لِسَيِّدِهِ مَوْلاَىَ " . وَزَادَ فِي حَدِيثِ أَبِي مُعَاوِيَةَ " فَإِنَّ مَوْلاَكُمُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ " .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ কুরায়ব ও আবূ সাঈদ আশাজ্জ (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাদের উভয়ের বর্ণনাতে রয়েছে, গোলাম তার সাইয়্যিদ ও মনিবকে আমার মাওলা’ বলবে না। এবং (প্রথম সূত্রের) বর্ণনাকারী আবূ মু'আবিয়াহ্ (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসে বর্ধিত উল্লেখ করেছেন যে, কারণ, তোমাদের মাওলা হলেন আল্লাহ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮০, ইসলামিক সেন্টার)
১৬
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৭৭
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَذَكَرَ أَحَادِيثَ مِنْهَا وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَقُلْ أَحَدُكُمُ اسْقِ رَبَّكَ أَطْعِمْ رَبَّكَ وَضِّئْ رَبَّكَ . وَلاَ يَقُلْ أَحَدُكُمْ رَبِّي . وَلْيَقُلْ سَيِّدِي مَوْلاَىَ وَلاَ يَقُلْ أَحَدُكُمْ عَبْدِي أَمَتِي . وَلْيَقُلْ فَتَاىَ فَتَاتِي غُلاَمِي " .
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনব্বিহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এ হলো সেসব হাদীস, যা আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এ কথা বলে তিনি কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। (সে সবের একটি হলো) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, তোমাদের কেউ (মনিব সম্পর্কে এভাবে) বলবে না যে, তোমার রব্বকে পান করাও, তোমার রব্বকে খাবার দাও, তোমার রব্বকে ওযু করাও। তিনি আরও বলেন, তোমাদের কেউ যেন না বলে আমার রব্ব এবং বলবে আমার সাইয়্যিদ তথা সরদার বা নেতা, আমার মাওলা বা মনিব। আর তোমাদের কেউ যেন না বলে, আমার দাস আমার দাসী, বরং বলবে, আমার সেবক, আমার সেবিকা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮১, ইসলামিক সেন্টার)
১৭
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৭৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، كِلاَهُمَا عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ خَبُثَتْ نَفْسِي . وَلَكِنْ لِيَقُلْ لَقِسَتْ نَفْسِي " . هَذَا حَدِيثُ أَبِي كُرَيْبٍ وَقَالَ أَبُو بَكْرٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَلَمْ يَذْكُرْ " لَكِنْ " .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ কুরায়ব ও মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ (নিজের দুরবস্থা প্রকাশে) বলবে না আমার মন খবীস (পিশাচ-ইতর-নিকৃষ্ট) হয়ে গেছে; বরং বলবে, আমার মন সংকুচিত ও ভারাক্রান্ত হয়ে গেছে। এ ভাষ্য আবূ কুরায়ব (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের। আর আবূ বাকর (রহঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা উল্লেখ করেছেন তাতেلَكِنْ (কিন্তু, তবে) শব্দটির উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮২, ইসলামিক সেন্টার)
১৮
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৭৯
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ .
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ মু'আবিয়াহ্ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে অত্র হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
১৯
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৮০
وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ، شِهَابٍ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَقُلْ أَحَدُكُمْ خَبُثَتْ نَفْسِي . وَلْيَقُلْ لَقِسَتْ نَفْسِي " .
আবূ তাহির ও হারমালাহ্ (রহঃ) ..... আবূ উমামাহ্ ইবনু সাহল ইবনু হুনায়ফ (রহঃ) তার পিতা সাহল (রাযিঃ) এর সানাদে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ, আমার আত্মা খবীস হয়ে গেছে বলবে না; বরং আমার মন সংকুচিত ও বিমর্ষ হয়ে গেছে বলবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
২০
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৮১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ شُعْبَةَ، حَدَّثَنِي خُلَيْدُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " كَانَتِ امْرَأَةٌ مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ قَصِيرَةٌ تَمْشِي مَعَ امْرَأَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ فَاتَّخَذَتْ رِجْلَيْنِ مِنْ خَشَبٍ وَخَاتَمًا مِنْ ذَهَبٍ مُغْلَقٍ مُطْبَقٍ ثُمَّ حَشَتْهُ مِسْكًا وَهُوَ أَطْيَبُ الطِّيبِ فَمَرَّتْ بَيْنَ الْمَرْأَتَيْنِ فَلَمْ يَعْرِفُوهَا فَقَالَتْ بِيَدِهَا هَكَذَا " . وَنَفَضَ شُعْبَةُ يَدَهُ .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বনী ইসরাঈলের খাটো আকৃতির একটি স্ত্রীলোক দু'জন দীর্ঘাঙ্গী মেয়েলোকের সঙ্গে হেঁটে যাচ্ছিল। সে (উচু হওয়ার জন্য) এবং লোকদের চোখে ধরা না পড়ার জন্যে কাঠের দুটি পা তৈরি করে নিল এবং সোনা দিয়ে একটি বড় আংটি প্রস্তুত করে পরে তার ভিতরে মিশক ভরে দিল। আর তা হলো সুগন্ধি কূলের সেরা সুগন্ধি। পরে সে ঐ দু'মেয়েলোকের মধ্য থেকে চলতে লাগলো এবং লোকেরা তাকে চিনতে পারল না। সে সময় তার হাত দিয়ে এভাবে ঝাড়া দিল। (এ কথা বলে) বর্ণনাকারী শু'বাহ্ (রহঃ) তার হাত ঝাড়া দিলেন (এবং স্ত্রীলোকটির হাত ঝাড়ার ধরণ নকল করলেন)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮৫, ইসলামিক সেন্টার)
২১
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৮২
حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ خُلَيْدِ بْنِ جَعْفَرٍ، وَالْمُسْتَمِرِّ، قَالاَ سَمِعْنَا أَبَا نَضْرَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَكَرَ امْرَأَةً مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ حَشَتْ خَاتَمَهَا مِسْكًا وَالْمِسْكُ أَطْيَبُ الطِّيبِ .
আমর আন্ নাকিদ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনী ইসরাঈলের এক নারীর কথা বর্ণনা করলেন যে, তার আংটিটি মিশক ভরাট করে রেখেছিল। (এ বিষয়ে তিনি বললেন) আর মিশক হলো সর্বোত্তম সুগন্ধি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
২২
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৮৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، كِلاَهُمَا عَنِ الْمُقْرِئِ، قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِئُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي أَيُّوبَ، حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ عُرِضَ عَلَيْهِ رَيْحَانٌ فَلاَ يَرُدُّهُ فَإِنَّهُ خَفِيفُ الْمَحْمِلِ طَيِّبُ الرِّيحِ " .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কারো নিকট কোন ফুল আনা হলে সে যেন তা ফিরিয়ে না দেয়। কারণ, তা ওজনে হালকা এবং ঘ্রাণ উত্তম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
২৩
সহীহ মুসলিম # ৪০/৫৮৮৪
حَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، وَأَبُو طَاهِرٍ وَأَحْمَدُ بْنُ عِيسَى قَالَ أَحْمَدُ حَدَّثَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي مَخْرَمَةُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ نَافِعٍ، قَالَ كَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا اسْتَجْمَرَ اسْتَجْمَرَ بِالأَلُوَّةِ غَيْرِ مُطَرَّاةٍ وَبِكَافُورٍ يَطْرَحُهُ مَعَ الأَلُوَّةِ ثُمَّ قَالَ هَكَذَا كَانَ يَسْتَجْمِرُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
হারূন ইবনু সাঈদ আইলী, আবূ তাহির ও আহমাদ ইবনু ঈসা (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাযিঃ) অভ্যস্ত ছিলেন যে, যখন তিনি সুগন্ধির ধোয়া নিতেন, তখন সুগন্ধিযুক্ত কাঠের উদ (চন্দন কাঠ) ধোয়া নিতেন। তিনি এর সাথে কোন কিছু মিলাতেন না। আবার (কখনো) চন্দন কাঠের সঙ্গে কর্পূর ছিটিয়ে দিতেন। তারপর বলতেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ রকমভাবে সুগন্ধি জ্বালাতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৮৮, ইসলামিক সেন্টার)