১০
ইউনুস
يونس
সূরা ইউনুস (يونس) পবিত্র কুরআনের ১০ নম্বর অধ্যায় — মক্কা সূরা, যাতে ১০৯ টি আয়াত রয়েছে। মক্কী সূরাগুলো নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদিনায় হিজরতের আগে নাজিল হয়েছিল এবং সাধারণত ঈমান, আল্লাহর একত্ব ও পরকালের ওপর জোর দেয়।
বুকমার্ক (0)
এখনো কোনো বুকমার্ক নেই। যেকোনো আয়াতের পাশে বুকমার্ক আইকনে ক্লিক করে সংরক্ষণ করুন।
বিসমিল্লাহ
بِسْمِনামেbis'miٱللَّهِআল্লাহ (র)l-lahiٱلرَّحْمَـٰنِপরম করুণাময়l-raḥmāniٱلرَّحِيمِঅসীম দয়ালুl-raḥīmi
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
১০:১
الٓر ۚআলিফ- লাম- রাalif-lam-raتِلْكَএইtil'kaءَايَـٰتُএই আয়াতগুলোāyātuٱلْكِتَـٰبِ(এমন) কিতাবেরl-kitābiٱلْحَكِيمِ(যা)প্রজ্ঞাপূর্ণl-ḥakīmi١
আলিফ-লাম-র, এগুলো মহা বিজ্ঞানময় গ্রন্থের আয়াতসমূহ।
১০:২
أَكَانَকি হয়েছেakānaلِلنَّاسِজন্যে মানুষেরlilnnāsiعَجَبًاআশ্চর্যজনকʿajabanأَنْযেanأَوْحَيْنَآআমরা ওহী পাঠিয়েছিawḥaynāإِلَىٰপ্রতিilāرَجُلٍۢএকজন ব্যক্তিরrajulinمِّنْهُمْমধ্য হতে তাদেরইmin'humأَنْযেanأَنذِرِ"সতর্ক করোandhiriٱلنَّاسَমানুষকেl-nāsaوَبَشِّرِও সুসংবাদ দাওwabashiriٱلَّذِينَ(তাদেরকে) যারাalladhīnaءَامَنُوٓا۟ঈমান এনেছেāmanūأَنَّযেannaلَهُمْজন্যে তাদের (রয়েছে)lahumقَدَمَপদ (মর্যাদা)qadamaصِدْقٍসত্যিকারṣid'qinعِندَকাছেʿindaرَبِّهِمْ ۗরবের তাদের"rabbihimقَالَ(এ কথাই) বলেছেqālaٱلْكَـٰفِرُونَকাফিররাl-kāfirūnaإِنَّ"নিশ্চয়ইinnaهَـٰذَاএই (ব্যক্তি)hādhāلَسَـٰحِرٌۭঅবশ্যই জাদুকরlasāḥirunمُّبِينٌসুস্পষ্ট"mubīnun٢
মানুষের কাছে কি এটা আশ্চর্যের বিষয় যে, আমি তাদেরই মধ্যেকার একজন লোকের কাছে ওয়াহী পাঠিয়েছি যে, লোকদের সতর্ক করে দাও, আর যারা ঈমান আনে তাদেরকে সুসংবাদ দাও যে, তাদের জন্য তাদের প্রতিপালকের কাছে আছে মহা মর্যাদা, (কিন্তু) কাফিররা বলে, ‘এ ব্যক্তি তো প্রকাশ্য যাদুকর’।
১০:৩
إِنَّনিশ্চয়ইinnaرَبَّكُمُরব তোমাদেরrabbakumuٱللَّهُ(সেই) আল্লাহl-lahuٱلَّذِىযিনিalladhīخَلَقَসৃষ্টি করেছেনkhalaqaٱلسَّمَـٰوَٰتِআকাশসমূহকেl-samāwātiوَٱلْأَرْضَও পৃথিবীকেwal-arḍaفِىমধ্যেfīسِتَّةِছয়টিsittatiأَيَّامٍۢদিনেayyāminثُمَّএরপরthummaٱسْتَوَىٰসমাসীন হয়েছেনis'tawāعَلَىউপরʿalāٱلْعَرْشِ ۖআরশেরl-ʿarshiيُدَبِّرُপরিচালনা করেনyudabbiruٱلْأَمْرَ ۖসকল (বিষয়)l-amraمَاনেইmāمِنকোনোminشَفِيعٍসুপারিশকারীshafīʿinإِلَّاতবে (কেউ সুপারিশ করলে)illāمِنۢথেকেminبَعْدِপরbaʿdiإِذْنِهِۦ ۚতাঁর অনুমতির (সেটা অন্য কথা)idh'nihiذَٰلِكُمُতিনিইdhālikumuٱللَّهُআল্লাহ্l-lahuرَبُّكُمْতোমাদের রবrabbukumفَٱعْبُدُوهُ ۚঅতএব তাঁরই ইবাদত করো তোমরাfa-uʿ'budūhuأَفَلَاকি তবুও নাafalāتَذَكَّرُونَতোমরা শিক্ষা গ্রহণ করবেtadhakkarūna٣
নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতিপালক হলেন আল্লাহ যিনি আকাশমন্ডলী আর পৃথিবীকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমুন্নত হয়েছেন। তিনি যাবতীয় বিষয়াদি পরিচালনা করেন। তাঁর অনুমতি প্রাপ্তি ছাড়া সুপারিশ করার কেউ নেই। ইনিই হলেন আল্লাহ, তোমাদের প্রতিপালক। কাজেই তোমরা তাঁরই ‘ইবাদাত কর, তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না?
১০:৪
إِلَيْهِদিকে তাঁরইilayhiمَرْجِعُكُمْতোমাদের প্রত্যাবর্তনmarjiʿukumجَمِيعًۭا ۖসকলেরইjamīʿanوَعْدَ(এটা)প্রতিশ্রুতিwaʿdaٱللَّهِআল্লাহরl-lahiحَقًّا ۚসত্যḥaqqanإِنَّهُۥনিশ্চয়ই তিনিinnahuيَبْدَؤُا۟প্রথম অস্তিত্বে আনেনyabda-uٱلْخَلْقَসৃষ্টিকেl-khalqaثُمَّঅতঃপরthummaيُعِيدُهُۥপুনরাবর্তন করবেন তারyuʿīduhuلِيَجْزِىَযেন তিনি প্রতিফল দিতে পারেনliyajziyaٱلَّذِينَ(তাদেরকে) যারাalladhīnaءَامَنُوا۟ঈমান এনেছেāmanūوَعَمِلُوا۟ও কাজ করেছেwaʿamilūٱلصَّـٰلِحَـٰتِসৎl-ṣāliḥātiبِٱلْقِسْطِ ۚসাথে ন্যায় বিচারেরbil-qis'ṭiوَٱلَّذِينَও যারাwa-alladhīnaكَفَرُوا۟অস্বীকার করেছেkafarūلَهُمْজন্যে তাদের (হবে)lahumشَرَابٌۭপানীয়sharābunمِّنْহতেminحَمِيمٍۢফুটন্ত পানিḥamīminوَعَذَابٌও শাস্তিwaʿadhābunأَلِيمٌۢনিদারুণalīmunبِمَاএ কারণে যাbimāكَانُوا۟তারা ছিলোkānūيَكْفُرُونَতারা অস্বীকার করতেyakfurūna٤
তাঁর কাছেই তোমাদের সকলের প্রত্যাবর্তন। আল্লাহর ওয়া‘দা নিশ্চিত সত্য। তিনি সৃষ্টির সূচনা করেন, পরে তিনিই আবার সৃষ্টি করবেন যাতে তিনি- যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে- তাদেরকে পূর্ণ ইনসাফের সাথে প্রতিদান দিতে পারেন। আর যারা কুফুরী করেছে তাদের জন্য আছে অতি উত্তপ্তপানীয় ও বেদনা দায়ক শাস্তি, যেহেতু তারা সত্য প্রত্যাখ্যান করত।
১০:৫
هُوَতিনিই (আল্লাহ)huwaٱلَّذِىযিনিalladhīجَعَلَবানিয়েছেনjaʿalaٱلشَّمْسَসূর্যকেl-shamsaضِيَآءًۭদীপ্তিময়ḍiyāanوَٱلْقَمَرَও চাঁদকেwal-qamaraنُورًۭاআলোকময়nūranوَقَدَّرَهُۥও তার জন্যে নির্দিষ্ট করেছেনwaqaddarahuمَنَازِلَ(হ্রাস-বৃদ্ধির)কক্ষপথmanāzilaلِتَعْلَمُوا۟যেন তোমরা জানোlitaʿlamūعَدَدَগণনাʿadadaٱلسِّنِينَবছরগুলোরl-sinīnaوَٱلْحِسَابَ ۚও (তারিখের) হিসাবwal-ḥisābaمَاনেইmāخَلَقَসৃষ্টি করেছেনkhalaqaٱللَّهُআল্লাহ্l-lahuذَٰلِكَএসবdhālikaإِلَّاছাড়াillāبِٱلْحَقِّ ۚভাবে যথাযথ (উদ্দেশ্যে)bil-ḥaqiيُفَصِّلُবিশদ বিবৃত করেন তিনিyufaṣṣiluٱلْـَٔايَـٰتِনিদর্শনগুলোকেl-āyātiلِقَوْمٍۢজন্যে সম্প্রদায়েরliqawminيَعْلَمُونَযারা জানেyaʿlamūna٥
তিনি সূর্যকে করেছেন তেজোদীপ্ত, আর চন্দ্রকে করেছেন আলোকময় আর তার (হ্রাস বৃদ্ধির) মানযিলসমূহ সঠিকভাবে নির্ধারণ করেছেন যাতে তোমরা বৎসর গুণে (সময়ের) হিসাব রাখতে পার। আল্লাহ এটা অনর্থক সৃষ্টি করেননি, তিনি নিদর্শনগুলোকে বিশদভাবে বর্ণনা করেন জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য।
১০:৬
إِنَّনিশ্চয়ইinnaفِىমধ্যে (রয়েছে)fīٱخْتِلَـٰفِপরিবর্তনেikh'tilāfiٱلَّيْلِরাতেরal-layliوَٱلنَّهَارِও দিনেরwal-nahāriوَمَاও যা কিছুwamāخَلَقَসৃষ্টি করেছেনkhalaqaٱللَّهُআল্লাহ্l-lahuفِىমধ্যেfīٱلسَّمَـٰوَٰتِআকাশসমূহেরl-samāwātiوَٱلْأَرْضِও পৃথিবীরwal-arḍiلَـَٔايَـٰتٍۢঅবশ্যই নিদর্শনসমূহlaāyātinلِّقَوْمٍۢজন্যে সম্প্রদায়েরliqawminيَتَّقُونَযারা তাকওয়া অবলম্বন করেyattaqūna٦
নিশ্চয়ই রাত ও দিনের আবর্তনে, আর আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর মাঝে আল্লাহ যা সৃষ্টি করেছেন তাতে মুত্তাকী সম্প্রদায়ের জন্য অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে।
১০:৭
إِنَّনিশ্চয়ইinnaٱلَّذِينَযারাalladhīnaلَاনাlāيَرْجُونَআশা রাখেyarjūnaلِقَآءَنَاসাক্ষাতের আমাদেরliqāanāوَرَضُوا۟ও পরিতৃপ্ত হয়েছেwaraḍūبِٱلْحَيَوٰةِনিয়ে জীবনbil-ḥayatiٱلدُّنْيَاপার্থিবl-dun'yāوَٱطْمَأَنُّوا۟এবং নিশ্চিত থাকেwa-iṭ'ma-annūبِهَاনিয়ে তাbihāوَٱلَّذِينَএবং (এমন) যারাwa-alladhīnaهُمْতারাইhumعَنْহতেʿanءَايَـٰتِنَاনিদর্শনগুলো আমাদেরāyātināغَـٰفِلُونَউদাসীনghāfilūna٧
যারা আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ লাভের আশা রাখে না, এবং দুনিয়ার জীবন নিয়েই সন্তুষ্ট থাকে আর তাতেই নিশ্চিন্ত হয় এবং যারা আমার নিদর্শনগুলো হতে একেবারে উদাসীন,
১০:৮
أُو۟لَـٰٓئِكَঐসব লোকulāikaمَأْوَىٰهُمُতাদের বাসস্থান (হবে)mawāhumuٱلنَّارُআগুনl-nāruبِمَاএ কারণে যাbimāكَانُوا۟তারা ছিলোkānūيَكْسِبُونَতারা অর্জন করতেyaksibūna٨
তাদের আবাস হল জাহান্নাম তাদের কৃতকর্মের কারণে।
১০:৯
إِنَّনিশ্চয়ইinnaٱلَّذِينَযারাalladhīnaءَامَنُوا۟ঈমান এনেছেāmanūوَعَمِلُوا۟ও কাজ করেছেwaʿamilūٱلصَّـٰلِحَـٰتِসৎl-ṣāliḥātiيَهْدِيهِمْসৎপথে পরিচালিত করবেন তাদেরকেyahdīhimرَبُّهُمরব তাদেরrabbuhumبِإِيمَـٰنِهِمْ ۖকারনে ঈমানের তাদেরbiīmānihimتَجْرِىপ্রবাহিত হয়tajrīمِنদিয়েminتَحْتِهِمُনিচ তাদেরtaḥtihimuٱلْأَنْهَـٰرُঝর্ণাধারাসমূহl-anhāruفِىমধ্যেfīجَنَّـٰتِজান্নাতেরjannātiٱلنَّعِيمِসুখকরl-naʿīmi٩
যারা ঈমান আনে আর সৎ ‘আমাল করে, তাদের প্রতিপালক তাদের ঈমানের বদৌলতে তাদেরকে সৎপথে পরিচালিত করবেন। নি‘মাতরাজি দ্বারা পরিপূর্ণ জান্নাতে, তাদের পাদদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত হবে।
১০:১০
دَعْوَىٰهُمْতাদের ধ্বনি (হবে)daʿwāhumفِيهَاমধ্যে তারfīhāسُبْحَـٰنَكَপবিত্র তুমিsub'ḥānakaٱللَّهُمَّহে আল্লাহ"l-lahumaوَتَحِيَّتُهُمْও তাদের অভিবাদন (হবে)wataḥiyyatuhumفِيهَاমধ্যে তারfīhāسَلَـٰمٌۭ ۚ"সালাম (বর্ষিত হোক)"salāmunوَءَاخِرُএবং শেষ (হবে)waākhiruدَعْوَىٰهُمْধ্বনি তাদেরdaʿwāhumأَنِএই (যে)aniٱلْحَمْدُ"সব প্রশংসাl-ḥamduلِلَّهِজন্যে আল্লাহরইlillahiرَبِّরবrabbiٱلْعَـٰلَمِينَবিশ্বজগতের"l-ʿālamīna١٠
তার ভিতরে তাদের দু’আ হবে, ‘‘পবিত্র তুমি হে আল্লাহ’’। আর সেখানে তাদের অভিবাদন হবে ‘‘শান্তি’’, আর তাদের দু‘আর সর্বশেষ কথা হবে ‘‘সমস্ত প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য’’।
১০:১১
۞ وَلَوْএবং যদিwalawيُعَجِّلُতাড়াতাড়ি করতেনyuʿajjiluٱللَّهُআল্লাহl-lahuلِلنَّاسِজন্যে মানুষেরlilnnāsiٱلشَّرَّঅকল্যাণl-sharaٱسْتِعْجَالَهُم(যেমন) তারা তাড়াতাড়ি চায়is'tiʿ'jālahumبِٱلْخَيْرِব্যাপারে (দুনিয়ার) কল্যাণেরbil-khayriلَقُضِىَঅবশ্যই পুরা হয়ে যেতোlaquḍiyaإِلَيْهِمْপ্রতি তাদেরilayhimأَجَلُهُمْ ۖমেয়াদ তাদেরajaluhumفَنَذَرُঅতএব আমরা ছেড়ে দিয়েছিfanadharuٱلَّذِينَ(তাদেরকে) যারাalladhīnaلَاনাlāيَرْجُونَআশা রাখেyarjūnaلِقَآءَنَاসাক্ষাতের আমাদেরliqāanāفِىমধ্যেfīطُغْيَـٰنِهِمْঅবাধ্যতার তাদেরṭugh'yānihimيَعْمَهُونَউদ্ভ্রান্ত হয়ে ঘুরে বেড়ায়yaʿmahūna١١
মানুষের অপকর্মের শাস্তি হিসেবে আল্লাহ যদি মানুষের অকল্যাণ করার ব্যাপারে দ্রুততা অবলম্বন করতেন যতটা দ্রুততার সঙ্গে তারা (দুনিয়ার) কল্যাণ পেতে চায়, তবে তাদের কাজ করার অবকাশ কবেই না খতম করে দেয়া হত, (কিন্তু আল্লাহ তা করেন না)। কাজেই যারা আমার সাক্ষাতের আশা রাখে না, তাদেরকে আমি তাদের অবাধ্যতায় দিশেহারা হয়ে ঘুরে বেড়ানোর অবকাশ দেই।
১০:১২
وَإِذَاএবং যখনwa-idhāمَسَّস্পর্শ করেmassaٱلْإِنسَـٰنَমানুষকেl-insānaٱلضُّرُّদুঃখ-দৈন্য (দিয়ে)l-ḍuruدَعَانَا(তখন) ডাকে আমাদেরকেdaʿānāلِجَنۢبِهِۦٓউপর পাশের তার (অর্থাৎ শুয়ে)lijanbihiأَوْবাawقَاعِدًاবসেqāʿidanأَوْবাawقَآئِمًۭاদাঁড়িয়েqāimanفَلَمَّاঅতঃপর যখনfalammāكَشَفْنَاআমরা দূর করিkashafnāعَنْهُথেকে তারʿanhuضُرَّهُۥদুঃখ-দৈন্য তারḍurrahuمَرَّসে চলে (এমনভাবে)marraكَأَنযেনka-anلَّمْনিlamيَدْعُنَآআমাদেরকে ডাকেইyadʿunāإِلَىٰজন্যেilāضُرٍّۢদুঃখেরḍurrinمَّسَّهُۥ ۚস্পর্শ করেছিলো তাকেmassahuكَذَٰلِكَএভাবেkadhālikaزُيِّنَসুশোভিত করা হয়েছেzuyyinaلِلْمُسْرِفِينَজন্যে সীমালঙ্ঘনকারীদেরlil'mus'rifīnaمَاযাmāكَانُوا۟তারা ছিলোkānūيَعْمَلُونَতারা কাজ করতেyaʿmalūna١٢
মানুষকে যখন দুঃখ ক্লেশ স্পর্শ করে, তখন তারা শুয়ে, বসে ও দাঁড়িয়ে আমাকে ডাকতে থাকে। অতঃপর যখন আমি তার দুঃখ ক্লেশ দূর করে দেই, তখন সে এমনভাবে চলে যায়, মনে হয় যেন তাকে দুঃখ-ক্লেশ স্পর্শ করার কারণে সে আমাকে কখনই ডাকেনি। এভাবেই যারা সীমালঙ্ঘন করে তাদের জন্য তাদের কাজকর্মগুলোকে চাকচিক্যময় বানিয়ে দেয়া হয়েছে।
১০:১৩
وَلَقَدْএবং নিশ্চয়ইwalaqadأَهْلَكْنَاধ্বংস করেছি আমরাahlaknāٱلْقُرُونَবহু মানবগোষ্ঠীকেl-qurūnaمِنথেকেওminقَبْلِكُمْপূর্ব তোমাদেরqablikumلَمَّاযখনlammāظَلَمُوا۟ ۙতারা অবিচার করেছিলোẓalamūوَجَآءَتْهُمْও কাছে এসেছিলো তাদেরwajāathumرُسُلُهُمরাসূলরা তাদেরrusuluhumبِٱلْبَيِّنَـٰتِসহ সুস্পষ্ট নিদর্শনগুলোbil-bayinātiوَمَاএবং নাwamāكَانُوا۟তারা ছিলোkānūلِيُؤْمِنُوا۟ ۚজন্যে ঈমান আনারliyu'minūكَذَٰلِكَএভাবেkadhālikaنَجْزِىপ্রতিফল দিই আমরাnajzīٱلْقَوْمَসসম্প্রদায়কেl-qawmaٱلْمُجْرِمِينَঅপরাধীl-muj'rimīna١٣
তোমাদের পূর্বেকার বহু জনগোষ্ঠীকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছি যখন তারা বাড়াবাড়িতে লিপ্ত হয়েছিল, তাদের কাছে রসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ নিয়ে এসেছিল, কিন্তু তারা আদৌ ঈমান আনেনি। এভাবেই আমি অপরাধীদেরকে (পাপের) প্রতিদান দিয়ে থাকি।
১০:১৪
ثُمَّএরপরthummaجَعَلْنَـٰكُمْআমরা বানালাম তোমাদেরকেjaʿalnākumخَلَـٰٓئِفَপ্রতিনিধিkhalāifaفِىমধ্যেfīٱلْأَرْضِপৃথিবীরl-arḍiمِنۢথেকেminبَعْدِهِمْপর তাদেরbaʿdihimلِنَنظُرَযেন দেখি আমরাlinanẓuraكَيْفَকেমনkayfaتَعْمَلُونَতোমরা কাজ করোtaʿmalūna١٤
অতঃপর তাদের পর আমি তোমাদেরকে পৃথিবীতে তাদের স্থলাভিষিক্ত করেছি এটা দেখার জন্য যে, তোমরা কী রকম ‘আমাল কর।
১০:১৫
وَإِذَاএবং যখনwa-idhāتُتْلَىٰতিলাওয়াত করা হয়tut'lāعَلَيْهِمْনিকট তাদেরʿalayhimءَايَاتُنَاআয়াতগুলোকে আমাদেরāyātunāبَيِّنَـٰتٍۢ ۙসুস্পষ্টbayyinātinقَالَবলেqālaٱلَّذِينَযারাalladhīnaلَاনাlāيَرْجُونَআশা রাখেyarjūnaلِقَآءَنَاসাক্ষাতের আমাদেরliqāanāٱئْتِ"আসোi'tiبِقُرْءَانٍনিয়ে কুরআনbiqur'āninغَيْرِছাড়াghayriهَـٰذَآএটা (অন্য একটি)hādhāأَوْঅথবাawبَدِّلْهُ ۚপরিবর্তন করো তা"baddil'huقُلْবলোqulمَا"নয়māيَكُونُসঙ্গতyakūnuلِىٓজন্যে আমারlīأَنْযেanأُبَدِّلَهُۥপরিবর্তন করবো আমি তাubaddilahuمِنহতেminتِلْقَآئِপক্ষtil'qāiنَفْسِىٓ ۖনিজের আমারnafsīإِنْনাinأَتَّبِعُআমি অনুসরণ করিattabiʿuإِلَّاএ ছাড়াillāمَاযাmāيُوحَىٰٓওহী করা হয়yūḥāإِلَىَّ ۖপ্রতি আমারilayyaإِنِّىٓনিশ্চয়ই আমিinnīأَخَافُভয় করিakhāfuإِنْযদিinعَصَيْتُআমি অবাধ্যতা করিʿaṣaytuرَبِّىআমার রবেরrabbīعَذَابَশাস্তিরʿadhābaيَوْمٍদিনের"yawminعَظِيمٍۢমহা"ʿaẓīmin١٥
যখন আমার সুস্পষ্ট আয়াতগুলো তাদের কাছে পঠিত হয়, তখন যারা আমার সাক্ষাতের আশা রাখে না তারা বলে, ‘এটা বাদে অন্য আরেকটা কুরআন আন কিংবা ওটাকে বদলাও’। বল, ‘‘আমার নিজের ইচ্ছেমত ওটা বদলানো আমার কাজ নয়, আমার কাছে যা ওয়াহী করা হয় আমি কেবল সেটারই অনুসরণ করে থাকি। আমি আমার প্রতিপালকের অবাধ্যতা করলে এক অতি বড় বিভীষিকার দিনে আমি শাস্তির ভয় করি’’।
১০:১৬
قُلবলোqulلَّوْ"যদিlawشَآءَচাইতেনshāaٱللَّهُআল্লাহl-lahuمَاনাmāتَلَوْتُهُۥআমি তিলাওয়াত করতাম তাtalawtuhuعَلَيْكُمْকাছে তোমাদেরʿalaykumوَلَآএবং নাwalāأَدْرَىٰكُمতিনি জানাতেন তোমাদেরadrākumبِهِۦ ۖসম্বন্ধে তাbihiفَقَدْঅতঃপর নিশ্চয়ইfaqadلَبِثْتُআমি অবস্থান করেছিlabith'tuفِيكُمْমাঝে তোমাদেরfīkumعُمُرًۭاএক বয়সʿumuranمِّنথেকেminقَبْلِهِۦٓ ۚপূর্ব এরqablihiأَفَلَاকি তবুও নাafalāتَعْقِلُونَতোমরা বুঝবে"taʿqilūna١٦
বল, ‘‘আল্লাহর ইচ্ছে হলে আমি তোমাদের কাছে তা তিলাওয়াত করতাম না, আর আল্লাহও তোমাদেরকে তার খবর দিতেন না। আমি তো এর পূর্বে একটা দীর্ঘ সময় তোমাদের মাঝে অতিবাহিত করেছি, তা সত্ত্বেও তোমরা কি বুঝবে না?
১০:১৭
فَمَنْঅতএব কেfamanأَظْلَمُঅধিক সীমালঙ্ঘনকারী (হতে পারে)aẓlamuمِمَّنِ(তার) চেয়ে যেmimmaniٱفْتَرَىٰরচনা করেif'tarāعَلَىউপরʿalāٱللَّهِআল্লাহl-lahiكَذِبًاমিথ্যাkadhibanأَوْবাawكَذَّبَমিথ্যারোপ করেkadhabaبِـَٔايَـٰتِهِۦٓ ۚসম্পর্কে তাঁর নিদর্শনগুলোbiāyātihiإِنَّهُۥনিশ্চয়ই তাinnahuلَاনাlāيُفْلِحُসফলকাম হয়yuf'liḥuٱلْمُجْرِمُونَঅপরাধীরাl-muj'rimūna١٧
তার চেয়ে বড় যালিম আর কে হতে পারে যে মিথ্যা রচনা ক’রে আল্লাহর নামে চালিয়ে দেয় অথবা আল্লাহর আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলে ঘোষণা করে; নিশ্চিতই অপরাধীরা সাফল্য লাভ করতে পারে না।
১০:১৮
وَيَعْبُدُونَএবং তারা ইবাদত করেwayaʿbudūnaمِنদিয়েminدُونِছেড়েdūniٱللَّهِআল্লাহকেl-lahiمَاযাmāلَاনাlāيَضُرُّهُمْক্ষতি করতে পারে তাদেরyaḍurruhumوَلَاআর নাwalāيَنفَعُهُمْউপকার করতে পারে তাদেরyanfaʿuhumوَيَقُولُونَএবং তারা বলেwayaqūlūnaهَـٰٓؤُلَآءِ"এসবhāulāiشُفَعَـٰٓؤُنَاসুপারিশকারী আমাদেরshufaʿāunāعِندَকাছেʿindaٱللَّهِ ۚআল্লাহর"l-lahiقُلْবলোqulأَتُنَبِّـُٔونَ"কি তোমরা সংবাদ দিচ্ছোatunabbiūnaٱللَّهَআল্লাহকেl-lahaبِمَاতা সম্বন্ধে যাbimāلَاনাlāيَعْلَمُতিনি জানেনyaʿlamuفِىমধ্যেfīٱلسَّمَـٰوَٰتِআকাশসমূহেরl-samāwātiوَلَاএবং নাwalāفِىমধ্যেfīٱلْأَرْضِ ۚপৃথিবীর"l-arḍiسُبْحَـٰنَهُۥপবিত্র তিনিsub'ḥānahuوَتَعَـٰلَىٰএবং বহু উর্ধ্বেwataʿālāعَمَّاতা হতে যাʿammāيُشْرِكُونَতারা শিরক করছেyush'rikūna١٨
আর তারা আল্লাহকে ছেড়ে ‘ইবাদাত করে এমন কিছুর যা না পারে তাদের কোন ক্ষতি করতে, আর না পারে কোন উপকার করতে। আর তারা বলে, ‘‘ওগুলো আমাদের জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশকারী’’। বল, ‘‘তোমরা কি আল্লাহকে এমন কিছুর সংবাদ দিতে চাও, যা তিনি অবগত নন, না আকাশমন্ডলীতে আর না যমীনে? মহান পবিত্র তিনি, তোমরা যা কিছুকে তাঁর শরীক গণ্য কর তাত্থেকে তিনি বহু ঊর্ধ্বে।
১০:১৯
وَمَاএবং নাwamāكَانَছিলোkānaٱلنَّاسُমানুষl-nāsuإِلَّآএ ছাড়াillāأُمَّةًۭউম্মতummatanوَٰحِدَةًۭএকইwāḥidatanفَٱخْتَلَفُوا۟ ۚএরপর তারা মতভেদ করেfa-ikh'talafūوَلَوْلَاএবং যদি নাwalawlāكَلِمَةٌۭএকটি কথাkalimatunسَبَقَتْপূর্ব ঘোষিত হতেsabaqatمِنপক্ষ হতেminرَّبِّكَতোমার রবেরrabbikaلَقُضِىَঅবশ্যই মীমাংসা করে দেয়া হতোlaquḍiyaبَيْنَهُمْমাঝে তাদেরbaynahumفِيمَاবিষয়ে সেfīmāفِيهِসম্পর্কে যাfīhiيَخْتَلِفُونَতারা মতভেদ করছেyakhtalifūna١٩
মানুষ ছিল এক উম্মতভুক্ত। পরে তারা মতভেদ সৃষ্টি করল। তোমার প্রতিপালক পূর্বেই যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করতেন, তাহলে যে বিষয়ে তারা মতভেদ করছে তার মীমাংসা অবশ্যই করে দেয়া হত।
১০:২০
وَيَقُولُونَএবং তারা বলেwayaqūlūnaلَوْلَآ"কেন নাlawlāأُنزِلَঅবতীর্ণ করা হলোunzilaعَلَيْهِউপর তারʿalayhiءَايَةٌۭকোনো নিদর্শনāyatunمِّنপক্ষ হতেminرَّبِّهِۦ ۖরবের তার"rabbihiفَقُلْতাহ'লে বলোfaqulإِنَّمَا"মুলতঃinnamāٱلْغَيْبُঅদৃশ্যের (জ্ঞান)l-ghaybuلِلَّهِনিকট আল্লাহরই (আছে)lillahiفَٱنتَظِرُوٓا۟অতএব তোমরা অপেক্ষা করোfa-intaẓirūإِنِّىনিশ্চয়ই আমিinnīمَعَكُمসাথে তোমাদেরmaʿakumمِّنَঅন্তর্ভুক্তminaٱلْمُنتَظِرِينَঅপেক্ষাকারীদের"l-muntaẓirīna٢٠
তারা বলে, ‘‘তাঁর প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তাঁর কাছে কোন নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না কেন?’’ এদের জবাবে বলে দাও, ‘‘অদৃশ্য জগতের একচ্ছত্র মালিক হলেন আল্লাহ, কাজেই তোমরা অপেক্ষা কর (এবং ভবিষ্যতে কী হয় দেখ), আমিও তোমাদের সাথে অপেক্ষমান থাকলাম।
১০:২১
وَإِذَآএবং যখনwa-idhāأَذَقْنَاআস্বাদন করাই আমরাadhaqnāٱلنَّاسَমানুষকেl-nāsaرَحْمَةًۭঅনুগ্রহraḥmatanمِّنۢথেকেminبَعْدِপরbaʿdiضَرَّآءَদুঃখদৈন্যḍarrāaمَسَّتْهُمْস্পর্শ করেছিলো তাদের (যা)massathumإِذَاতখনidhāلَهُمথেকে তাদেরlahumمَّكْرٌۭচক্রান্ত শুরু হয়makrunفِىٓব্যাপারেfīءَايَاتِنَا ۚনিদর্শনগুলোর আমাদেরāyātināقُلِবলোquliٱللَّهُ"আল্লাহl-lahuأَسْرَعُঅধিক দ্রুতasraʿuمَكْرًا ۚকৌশলে"makranإِنَّনিশ্চয়ইinnaرُسُلَنَاফেরেশতারা আমাদেরrusulanāيَكْتُبُونَলিখছেyaktubūnaمَاযাmāتَمْكُرُونَতোমরা ষড়যন্ত্র করছোtamkurūna٢١
দুঃখ কষ্ট মানুষকে স্পর্শ করার পর আমি যখন তাদেরকে অনুগ্রহ আস্বাদন করতে দেই, তখন তারা আমার নিদর্শনগুলোর ব্যাপারে কুট কৌশলের আশ্রয় নেয়। বল, ‘কৌশল গ্রহণে আল্লাহ হলেন ক্ষিপ্রগতিসম্পন্ন, তোমরা যে সব কূটচাল গ্রহণ কর আমার ফেরেশতাগণ তা লিপিবদ্ধ করে রাখে।’
১০:২২
هُوَতিনিই (আল্লাহ)huwaٱلَّذِىযিনিalladhīيُسَيِّرُكُمْভ্রমণ করান তোমাদেরyusayyirukumفِىমধ্যেfīٱلْبَرِّস্থল ভাগেl-bariوَٱلْبَحْرِ ۖও জলভাগেwal-baḥriحَتَّىٰٓএমনকিḥattāإِذَاযখনidhāكُنتُمْথাকো তোমরাkuntumفِىমধ্যেfīٱلْفُلْكِনৌযানেরl-ful'kiوَجَرَيْنَও সেগুলো চলেwajaraynaبِهِمনিয়ে তাদেরbihimبِرِيحٍۢসাথে বাতাসেরbirīḥinطَيِّبَةٍۢউত্তমṭayyibatinوَفَرِحُوا۟ও তারা আনন্দিত হয়wafariḥūبِهَاকারণে সেbihāجَآءَتْهَا(এরপর যখন) তার উপর আসেjāathāرِيحٌবাতাসrīḥunعَاصِفٌۭঝড়োʿāṣifunوَجَآءَهُمُও তাদের উপর আসেwajāahumuٱلْمَوْجُঢেউl-mawjuمِنথেকেminكُلِّসবkulliمَكَانٍۢজায়গাmakāninوَظَنُّوٓا۟ও তারা ভাবেwaẓannūأَنَّهُمْযে তারাannahumأُحِيطَপরিবেষ্টিত হয়েছেuḥīṭaبِهِمْ ۙদিয়ে সেগুলোbihimدَعَوُا۟(তখন) তারা ডাকেdaʿawūٱللَّهَআল্লাহকেl-lahaمُخْلِصِينَএকনিষ্ঠ হয়েmukh'liṣīnaلَهُজন্যে তাঁরইlahuٱلدِّينَআনুগত্যl-dīnaلَئِنْ(এই বলে) অবশ্যই যদিla-inأَنجَيْتَنَاতুমি উদ্ধার করো আমাদেরanjaytanāمِنْহতেminهَـٰذِهِۦএটাhādhihiلَنَكُونَنَّঅবশ্যই আমরা হবোlanakūnannaمِنَঅন্তর্ভুক্তminaٱلشَّـٰكِرِينَকৃতজ্ঞদের"l-shākirīna٢٢
তিনি তোমাদেরকে জলে ও স্থলে ভ্রমণ করান। এমনকি যখন তোমরা নৌকায় আরোহণ করে অনুকূল হাওয়ার তালে আমোদ আহলাদে সফর করতে থাক, তখন ঝড়ো হাওয়া আঘাত হানে আর চারদিক থেকে তরঙ্গ ধেয়ে আসে, আর তারা মনে করে যে, তারা তরঙ্গমালায় পরিবেষ্টিত হয়ে পড়েছে। তখন তারা বিশুদ্ধ আনুগত্যে আল্লাহকে ডেকে বলে, ‘তুমি যদি এত্থেকে আমাদেরকে পরিত্রাণ দাও তাহলে অবশ্য অবশ্যই আমরা শুকরগুজার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।’
১০:২৩
فَلَمَّآঅতঃপর যখনfalammāأَنجَىٰهُمْউদ্ধার করেন তিনি তাদেরanjāhumإِذَاতখনidhāهُمْতারাhumيَبْغُونَবিদ্রোহ করেyabghūnaفِىমধ্যেfīٱلْأَرْضِপৃথিবীরl-arḍiبِغَيْرِভাবে নয়bighayriٱلْحَقِّ ۗন্যায়l-ḥaqiيَـٰٓأَيُّهَاহেyāayyuhāٱلنَّاسُমানুষl-nāsuإِنَّمَاপ্রকৃতপক্ষেinnamāبَغْيُكُمْতোমাদের বিদ্রোহbaghyukumعَلَىٰٓ(উল্টো পড়েছে) উপরʿalāأَنفُسِكُم ۖনিজেদের তোমাদেরanfusikumمَّتَـٰعَ(ভোগ করে নাও) ভোগসামগ্রীmatāʿaٱلْحَيَوٰةِজীবনেরl-ḥayatiٱلدُّنْيَا ۖপার্থিবl-dun'yāثُمَّএরপরthummaإِلَيْنَاদিকে আমাদেরইilaynāمَرْجِعُكُمْপ্রত্যাবর্তন (হবে) তোমাদেরmarjiʿukumفَنُنَبِّئُكُمতখন জানিয়ে দিবো আমরা তোমাদেরfanunabbi-ukumبِمَاতা সম্বন্ধে যাbimāكُنتُمْতোমরা ছিলেkuntumتَعْمَلُونَতোমরা কাজ-কর্ম করতেtaʿmalūna٢٣
অতঃপর যেমনই তিনি তাদেরকে বাঁচিয়ে দেন, তখন তারা অন্যায়ভাবে যমীনে বিদ্রোহী আচরণ শুরু করে দেয়। ওহে মানুষ! তোমাদের এ বিদ্রোহ তো (প্রকৃতপক্ষে) তোমাদের নিজেদেরই বিপক্ষে, অস্থায়ী দুনিয়ার আনন্দ সামগ্রী মাত্র। অতঃপর আমার কাছেই তোমাদের প্রত্যাবর্তন হবে, তখন আমি তোমাদেরকে জানিয়ে দেব তোমরা যা কিছু করছিলে।
১০:২৪
إِنَّمَاপ্রকৃতপক্ষেinnamāمَثَلُউদাহরণmathaluٱلْحَيَوٰةِজীবনেরl-ḥayatiٱلدُّنْيَاপার্থিবl-dun'yāكَمَآءٍমতো পানিরkamāinأَنزَلْنَـٰهُআমরা বর্ষণ করি তাanzalnāhuمِنَথেকেminaٱلسَّمَآءِআকাশl-samāiفَٱخْتَلَطَঅতঃপর সংমিশ্রিত হয়ে (উদ্গত হয়)fa-ikh'talaṭaبِهِۦদিয়ে তাbihiنَبَاتُউদ্ভিদnabātuٱلْأَرْضِমাটিরl-arḍiمِمَّاহতে যাmimmāيَأْكُلُখায়yakuluٱلنَّاسُমানুষl-nāsuوَٱلْأَنْعَـٰمُও জীবজন্তুwal-anʿāmuحَتَّىٰٓএমনকিḥattāإِذَآযখনidhāأَخَذَتِধারণ করলোakhadhatiٱلْأَرْضُজমিl-arḍuزُخْرُفَهَاশোভা তারzukh'rufahāوَٱزَّيَّنَتْও চাকচিক্যময় হলোwa-izzayyanatوَظَنَّএবং মনে করলোwaẓannaأَهْلُهَآমালিকরা তারahluhāأَنَّهُمْযে তারাannahumقَـٰدِرُونَসক্ষম হবেqādirūnaعَلَيْهَآতার উপর (ভোগ করতে)ʿalayhāأَتَىٰهَآতার উপর এসে পড়েatāhāأَمْرُنَاনির্দেশ আমাদেরamrunāلَيْلًاরাতেlaylanأَوْঅথবাawنَهَارًۭاদিনেnahāranفَجَعَلْنَـٰهَاঅতঃপর আমরা বানিয়ে দিই তাfajaʿalnāhāحَصِيدًۭاকর্তিত ফসল (নির্মূল)ḥaṣīdanكَأَنযেনka-anلَّمْছিলোই নাlamتَغْنَঅবস্থিতtaghnaبِٱلْأَمْسِ ۚগতকাল (কোনো ফসল)bil-amsiكَذَٰلِكَএভাবেkadhālikaنُفَصِّلُবিশদ বর্ণনা করি আমরাnufaṣṣiluٱلْـَٔايَـٰتِনিদর্শনগুলোকেl-āyātiلِقَوْمٍۢজন্যে সম্প্রদায়েরliqawminيَتَفَكَّرُونَ(যারা) চিন্তা-ভাবনা করেyatafakkarūna٢٤
দুনিয়ার জীবনের দৃষ্টান্ত হচ্ছে যেমন আকাশ থেকে আমি পানি বর্ষণ করি যার সংস্পর্শে ঘন সন্নিবিষ্ট ভূমি জাত উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়। যাত্থেকে ভক্ষণ করে মানুষ আর জীবজন্তু। অবশেষে যমীন যখন সোনালীরূপ ধারণ করে আর শোভামন্ডিত হয়, আর তার মালিকগণ ভাবতে থাকে যে, ওগুলো তাদের হাতের মুঠোয় তখন রাত্রিকালে কিংবা দিনের বেলা আমার নির্দেশ এসে পড়ে আর আমি ওগুলো এমনভাবে ধ্বংস করে দেই মনে হয় যেন গতকাল সেখানে কোন কিছুই ছিল না। এভাবে আমি আমার নিদর্শনগুলোকে বিশদভাবে বর্ণনা করি ঐ সম্প্রদায়ের জন্য যারা চিন্তাভাবনা করে বুঝতে চেষ্টা করে।
১০:২৫
وَٱللَّهُআর আল্লাহwal-lahuيَدْعُوٓا۟ডাকেনyadʿūإِلَىٰদিকেilāدَارِআবাসেরdāriٱلسَّلَـٰمِশান্তিরl-salāmiوَيَهْدِىও পথ দেখানwayahdīمَنযাকেmanيَشَآءُতিনিই ইচ্ছা করেনyashāuإِلَىٰদিকেilāصِرَٰطٍۢপথেরṣirāṭinمُّسْتَقِيمٍۢসরল সঠিকmus'taqīmin٢٥
আল্লাহ তোমাদেরকে শান্তির কেন্দ্রভূমির দিকে আহবান জানান আর যাকে তিনি চান সঠিক পথে পরিচালিত করেন।
১০:২৬
۞ لِّلَّذِينَজন্যে তাদের (আছে)lilladhīnaأَحْسَنُوا۟(যারা) ভালো কাজ করেaḥsanūٱلْحُسْنَىٰউত্তম ফলl-ḥus'nāوَزِيَادَةٌۭ ۖএবং আরও বেশি (অনুগ্রহ)waziyādatunوَلَاএবং নাwalāيَرْهَقُআচ্ছন্ন করবেyarhaquوُجُوهَهُمْমুখমন্ডলসমূহকে তাদেরwujūhahumقَتَرٌۭকালিমাqatarunوَلَاএবং নাwalāذِلَّةٌ ۚলাঞ্ছনাdhillatunأُو۟لَـٰٓئِكَঐসব লোকulāikaأَصْحَـٰبُঅধিবাসী (হবে)aṣḥābuٱلْجَنَّةِ ۖজান্নাতেরl-janatiهُمْতারাhumفِيهَاমধ্যে তারfīhāخَـٰلِدُونَস্থায়ী হবেkhālidūna٢٦
যারা কল্যাণকর কাজ করে তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ এবং আরো অতিরিক্ত (পুরস্কার), কলংক ও লাঞ্ছনা তাদের মুখমন্ডলকে মলিন করবে না, তারাই হল জান্নাতের অধিবাসী, সেখানে তারা থাকবে চিরকাল।
১০:২৭
وَٱلَّذِينَএবং যারাwa-alladhīnaكَسَبُوا۟অর্জন করেছেkasabūٱلسَّيِّـَٔاتِমন্দ কাজl-sayiātiجَزَآءُ(তারা পাবে) প্রতিফলjazāuسَيِّئَةٍۭমন্দ কাজেরsayyi-atinبِمِثْلِهَاঅনুরূপ তারbimith'lihāوَتَرْهَقُهُمْও আচ্ছন্ন করবে তাদেরwatarhaquhumذِلَّةٌۭ ۖলাঞ্ছনাdhillatunمَّاনেইmāلَهُمজন্যে তাদেরlahumمِّنَহতেminaٱللَّهِআল্লাহl-lahiمِنْকোনোminعَاصِمٍۢ ۖরক্ষাকারীʿāṣiminكَأَنَّمَآযেন প্রকৃতপক্ষেka-annamāأُغْشِيَتْঢেকে ফেলেছেugh'shiyatوُجُوهُهُمْমুখমন্ডলগুলো তাদেরwujūhuhumقِطَعًۭاটুকরাqiṭaʿanمِّنَএরminaٱلَّيْلِরাতal-layliمُظْلِمًا ۚঅন্ধকারmuẓ'limanأُو۟لَـٰٓئِكَঐসবলোকulāikaأَصْحَـٰبُঅধিবাসী (হবে)aṣḥābuٱلنَّارِ ۖআগুনেরl-nāriهُمْতারাhumفِيهَاমধ্যে তারfīhāخَـٰلِدُونَস্থায়ী হবেkhālidūna٢٧
পক্ষান্তরে যারা মন্দ কাজ করে, তারা তাদের মন্দ কাজের শাস্তি পাবে কাজের অনুপাতে এবং অপমান তাদেরকে আচ্ছাদিত করবে, আল্লাহর (শাস্তি) হতে কেউই তাদেরকে রক্ষা করতে পারবে না- যেন তাদের মুখমন্ডলকে আচ্ছাদিত করে দেয়া হয়েছে গাঢ় অন্ধকার রাত্রির টুকরো দিয়ে; তারা জাহান্নামের অধিবাসী, তারা তার মধ্যে চিরকাল থাকবে।
১০:২৮
وَيَوْمَএবং যেদিনwayawmaنَحْشُرُهُمْএকত্র করবো আমরা তাদেরnaḥshuruhumجَمِيعًۭاসকলকে (আমার আদালতে)jamīʿanثُمَّএরপরthummaنَقُولُআমরা বলবোnaqūluلِلَّذِينَউদ্দেশ্যে তাদের (যারা)lilladhīnaأَشْرَكُوا۟শিরক করেছিলোashrakūمَكَانَكُمْ"তোমাদের স্থানে (অবস্হান করো)makānakumأَنتُمْতোমরাantumوَشُرَكَآؤُكُمْ ۚও তোমাদের শরীকরা"washurakāukumفَزَيَّلْنَاঅতঃপর পৃথক করে দিবো আমরাfazayyalnāبَيْنَهُمْ ۖমাঝে তাদেরbaynahumوَقَالَএবং বলবেwaqālaشُرَكَآؤُهُمশরীকেরা তাদেরshurakāuhumمَّا"নাmāكُنتُمْতোমরা ছিলেkuntumإِيَّانَاআমাদেরকে"iyyānāتَعْبُدُونَউপাসনা করতে"taʿbudūna٢٨
সেদিন আমি তাদের সবাইকে একত্রিত করে যারা শিরক করেছিল তাদেরকে বলব, ‘‘তোমরা এবং তোমরা যাদেরকে শরীক করেছিলে তারা নিজ নিজ জায়গায় থাক।’’ আমি তাদেরকে পরস্পর থেকে পৃথক করে দেব আর তারা যাদেরকে শরীক করেছিল তারা বলবে, ‘তোমরা তো আমাদের ‘ইবাদাত করতে না।’
১০:২৯
فَكَفَىٰঅতএব যথেষ্টfakafāبِٱللَّهِআল্লাহইbil-lahiشَهِيدًۢاসাক্ষী হিসেবেshahīdanبَيْنَنَاমাঝে আমাদেরbaynanāوَبَيْنَكُمْও মাঝে তোমাদেরwabaynakumإِنনিশ্চয়ইinكُنَّاআমরা ছিলামkunnāعَنْহতেʿanعِبَادَتِكُمْউপাসনা তোমাদেরʿibādatikumلَغَـٰفِلِينَঅবশ্যই উদাসীনlaghāfilīna٢٩
এখন আল্লাহই আমাদের আর তোমাদের মাঝে সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট, আমরা তোমাদের ‘ইবাদাতের ব্যাপারে সম্পূর্ণ বেখবর ছিলাম।’
১০:৩০
هُنَالِكَসেখানেhunālikaتَبْلُوا۟যাচাই করে নিতে পারবেtablūكُلُّপ্রত্যেকkulluنَفْسٍۢব্যক্তিnafsinمَّآযাmāأَسْلَفَتْ ۚঅতীতে করেছেaslafatوَرُدُّوٓا۟এবং তাদেরকে ফিরিয়ে নেয়া হবেwaruddūإِلَىদিকেilāٱللَّهِআল্লাহরl-lahiمَوْلَىٰهُمُঅভিভাবক তাদেরmawlāhumuٱلْحَقِّ ۖপ্রকৃতl-ḥaqiوَضَلَّএবং সরে যাবেwaḍallaعَنْهُمথেকে তাদেরʿanhumمَّاযাmāكَانُوا۟তারা ছিলোkānūيَفْتَرُونَতারা রচনা করতেyaftarūna٣٠
সেখানে প্রতিটি আত্মা তার পূর্বকৃত কাজ (এর ফলাফল) দেখতে পাবে। তাদেরকে তাদের প্রকৃত অভিভাবক আল্লাহর নিকট ফিরিয়ে আনা হবে, আর তাদের রচিত সকল মিথ্যা তাদের থেকে বিলীন হয়ে যাবে।
১০:৩১
قُلْবলোqulمَن"কেmanيَرْزُقُكُمজীবিকা দেন তোমাদেরyarzuqukumمِّنَথেকেminaٱلسَّمَآءِআকাশl-samāiوَٱلْأَرْضِও পৃথিবী (থেকে)wal-arḍiأَمَّنঅথবা কেammanيَمْلِكُকর্তৃত্ব রাখেনyamlikuٱلسَّمْعَশ্রবণশক্তিরl-samʿaوَٱلْأَبْصَـٰرَও দৃষ্টিশক্তিসমূহেরwal-abṣāraوَمَنএবং কেwamanيُخْرِجُবের করেনyukh'rijuٱلْحَىَّজীবন্তকেl-ḥayaمِنَহতেminaٱلْمَيِّتِমৃতl-mayitiوَيُخْرِجُএবং (কে) বের করেনwayukh'rijuٱلْمَيِّتَমৃতকেl-mayitaمِنَহতেminaٱلْحَىِّজীবন্তl-ḥayiوَمَنএবং কেwamanيُدَبِّرُপরিচালনা করেনyudabbiruٱلْأَمْرَ ۚ(বিশ্ব ব্যবস্থার সকল) কাজ"l-amraفَسَيَقُولُونَতখন অচিরেই তারা বলবেfasayaqūlūnaٱللَّهُ ۚ"আল্লাহই"l-lahuفَقُلْতাহলে বলোfaqulأَفَلَا"কি তবুও নাafalāتَتَّقُونَ(সত্য বিরোধিতায়) তোমরা বিরত থাকবে"tattaqūna٣١
তাদের জিজ্ঞেস কর, ‘আকাশ আর যমীন হতে কে তাদের জীবিকার ব্যবস্থা করে? কিংবা শ্রবণশক্তি ও দর্শনশক্তি কার মালিকানাধীন? আর মৃত থেকে জীবিতকে কে বের করেন আর কে মৃতকে জীবিত থেকে বের করেন? যাবতীয় বিষয়ের শাসন ও নিয়ন্ত্রণ কার অধীনস্থ?’ তারা বলে উঠবে, ‘‘আল্লাহ’’। তাহলে তাদেরকে বল, ‘তবুও তোমরা তাক্বওয়াহ অবলম্বন করবে না?’
১০:৩২
فَذَٰلِكُمُঅতএব এইfadhālikumuٱللَّهُআল্লাহইl-lahuرَبُّكُمُরব তোমাদেরrabbukumuٱلْحَقُّ ۖপ্রকৃতl-ḥaquفَمَاذَاতাহ'লে কি (থাকতে পারে)famādhāبَعْدَপরেbaʿdaٱلْحَقِّমহাসত্যেরl-ḥaqiإِلَّاএ ছাড়াillāٱلضَّلَـٰلُ ۖবিভ্রান্তিl-ḍalāluفَأَنَّىٰঅতএব কোথায়fa-annāتُصْرَفُونَতোমরা চালিত হচ্ছোtuṣ'rafūna٣٢
তিনিই আল্লাহ, তোমাদের প্রকৃত প্রতিপালক। প্রকৃত সত্যের পর গুমারাহী ছাড়া আর কী থাকতে পারে? তোমাদেরকে কোনদিকে ঘুরানো হচ্ছে?
১০:৩৩
كَذَٰلِكَএভাবেkadhālikaحَقَّتْসত্য প্রমাণিত হলোḥaqqatكَلِمَتُবাণীkalimatuرَبِّكَতোমার রবেরrabbikaعَلَىসম্পর্কেʿalāٱلَّذِينَ(তাদের) যারাalladhīnaفَسَقُوٓا۟সত্যত্যাগ করেছেfasaqūأَنَّهُمْযে তারাannahumلَاনাlāيُؤْمِنُونَঈমান আনবেyu'minūna٣٣
এভাবে সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের ব্যাপারে তোমার প্রতিপালকের কথা সত্য সাব্যস্ত হয়েছে যে, তারা ঈমান আনবে না।
১০:৩৪
قُلْবলোqulهَلْ"(আছে) কিhalمِنমধ্যে হতেminشُرَكَآئِكُمশরীকদের তোমাদেরshurakāikumمَّن(এমন কেউ) যেmanيَبْدَؤُا۟সূচনা করেyabda-uٱلْخَلْقَসৃষ্টিরl-khalqaثُمَّএরপরthummaيُعِيدُهُۥ ۚপুনরাবর্তন ঘটায় তার"yuʿīduhuقُلِবলোquliٱللَّهُ"আল্লাহইl-lahuيَبْدَؤُا۟সূচনা করেনyabda-uٱلْخَلْقَসৃষ্টিরl-khalqaثُمَّএরপরthummaيُعِيدُهُۥ ۖপুনরাবর্তন ঘটান তারyuʿīduhuفَأَنَّىٰঅতএব কোথায়fa-annāتُؤْفَكُونَতোমাদের ফিরানো হচ্ছে"tu'fakūna٣٤
বল ‘‘তোমরা যাদেরকে শরীক কর তাদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি যে সৃষ্টির সূচনা করে এবং তার পুনরাবর্তনও ঘটাতে পারে?’’ বল ‘‘আল্লাহই সৃষ্টির সূচনা করেন এবং তার পুনরাবর্তন ঘটান।’’ তাহলে কীভাবে তোমরা বিচ্যুত হয়ে যাচ্ছ (সত্য পথ থেকে)?
১০:৩৫
قُلْবলোqulهَلْ"(আছে) কিhalمِنমধ্য হতেminشُرَكَآئِكُمশরীকদের তোমাদেরshurakāikumمَّن(এমন কেউ) যেmanيَهْدِىٓপথ দেখায়yahdīإِلَىদিকেilāٱلْحَقِّ ۚসত্যের"l-ḥaqiقُلِবলোquliٱللَّهُ"আল্লাহইl-lahuيَهْدِىপথ দেখানyahdīلِلْحَقِّ ۗদিকে সত্যেরlil'ḥaqqiأَفَمَنকি তবে যেafamanيَهْدِىٓসঠিকপথ দেখায়yahdīإِلَىদিকেilāٱلْحَقِّসত্যেরl-ḥaqiأَحَقُّঅধিক যোগ্যaḥaqquأَنযেanيُتَّبَعَঅনুসরণ করা হবে (তাঁর)yuttabaʿaأَمَّنঅথবা যেammanلَّاনাlāيَهِدِّىٓসঠিকপথ পায়yahiddīإِلَّآএ ছাড়াillāأَنযেanيُهْدَىٰ ۖপথ প্রদর্শিত হয়yuh'dāفَمَاঅতএব কি হয়েছেfamāلَكُمْতোমাদেরlakumكَيْفَকেমনkayfaتَحْكُمُونَতোমরা বিচার করো"taḥkumūna٣٥
বল ‘‘তোমরা যাদেরকে শরীক কর তাদের কেউ কি সত্যের পথ দেখাতে পারে?’’ বল, ‘আল্লাহই সত্যের পথ দেখান।’ তবে যিনি সত্য পথে পরিচালিত করেন আনুগত্য লাভের তিনিই বেশি হাকদার, না কি সেই যাকে পথ না দেখালে পথ পায় না? তোমাদের হয়েছে কী? তোমরা কীভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছ?
১০:৩৬
وَمَاএবং নাwamāيَتَّبِعُঅনুসরণ করেyattabiʿuأَكْثَرُهُمْঅধিকাংশ তাদেরaktharuhumإِلَّاএ ছাড়াillāظَنًّا ۚঅনুমানেরẓannanإِنَّনিশ্চয়ইinnaٱلظَّنَّঅনুমানl-ẓanaلَاনাlāيُغْنِىকাজে আসেyugh'nīمِنَক্ষেত্রেminaٱلْحَقِّসত্য (পথ লাভের)l-ḥaqiشَيْـًٔا ۚকিছুমাত্রshayanإِنَّনিশ্চয়ইinnaٱللَّهَআল্লাহl-lahaعَلِيمٌۢখুব অবহিতʿalīmunبِمَاঐ বিষয়ে যাbimāيَفْعَلُونَতারা করছেyafʿalūna٣٦
তাদের অধিকাংশই কেবল ধারণার অনুসরণ করে, সত্যের মুকাবালায় ধারণা কোন কাজে আসে না। তোমরা যা কর সে সম্পর্কে আল্লাহ সর্বাধিক অবগত।
১০:৩৭
وَمَاএবং নয়wamāكَانَহওয়ারkānaهَـٰذَاএইhādhāٱلْقُرْءَانُকুর'আনl-qur'ānuأَن(এমন) যেanيُفْتَرَىٰরচনা করা যেতে পারেyuf'tarāمِنদিয়েminدُونِবাদdūniٱللَّهِআল্লাহl-lahiوَلَـٰكِنবরং (এটা)walākinتَصْدِيقَসত্যায়নtaṣdīqaٱلَّذِى(তার) যাalladhīبَيْنَমাঝেbaynaيَدَيْهِহাতের তারyadayhiوَتَفْصِيلَও বিস্তারিত বর্ণনাwatafṣīlaٱلْكِتَـٰبِসেই কিতাবেরl-kitābiلَاনেইlāرَيْبَকোনো সন্দেহraybaفِيهِমধ্যে তার(যে এটা)fīhiمِن(এসেছে) পক্ষ হতেminرَّبِّরবেরrabbiٱلْعَـٰلَمِينَবিশ্বজগতেরl-ʿālamīna٣٧
এ কুরআন আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো রচিত নয়। উপরন্তু তা পূর্বে যা নাযিল হয়েছিল তার সমর্থক আর বিস্তারিত ব্যাখ্যাকৃত কিতাব, এতে কোন সন্দেহ নেই, জগৎসমূহের প্রতিপালকের নিকট হতে (নাযিলকৃত)।
১০:৩৮
أَمْঅথবা কিamيَقُولُونَতারা বলেyaqūlūnaٱفْتَرَىٰهُ ۖ"সে রচনা করেছে তা"if'tarāhuقُلْ(হে নাবী) বলোqulفَأْتُوا۟"তা হলে তোমরা আসোfatūبِسُورَةٍۢনিয়ে একটি সূরাহ (রচনা করে)bisūratinمِّثْلِهِۦমতো তারmith'lihiوَٱدْعُوا۟এবং তোমরা ডাকোwa-id'ʿūمَنِযাকেmaniٱسْتَطَعْتُمতোমরা পারোis'taṭaʿtumمِّنদিয়েminدُونِবাদdūniٱللَّهِআল্লাহl-lahiإِنযদিinكُنتُمْহও তোমরাkuntumصَـٰدِقِينَসত্যবাদী"ṣādiqīna٣٨
তারা কি এ কথা বলে যে, সে [অর্থাৎ মুহাম্মাদ (সা.)] এটা রচনা করেছে? বল, তাহলে তোমরাও এর মত একটা সূরাহ (রচনা করে) নিয়ে এসো আর আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাকে পার তাকে ডেকে নাও যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক [যে মুহাম্মাদ (সাঃ)-ই তা রচনা করেছেন]।
১০:৩৯
بَلْবরংbalكَذَّبُوا۟তারা মিথ্যা মনে করেছেkadhabūبِمَاঐবিষয়ে যাbimāلَمْনিlamيُحِيطُوا۟তারা আয়ত্ত করতে পারেyuḥīṭūبِعِلْمِهِۦদিয়ে জ্ঞান তাbiʿil'mihiوَلَمَّاএবং এখনও নিwalammāيَأْتِهِمْতাদের কাছে আসেyatihimتَأْوِيلُهُۥ ۚব্যাখ্যা তারtawīluhuكَذَٰلِكَএভাবেkadhālikaكَذَّبَমিথ্যারোপ করেছিলোkadhabaٱلَّذِينَযারাalladhīnaمِنথেকেminقَبْلِهِمْ ۖপূর্ব তাদের(ছিলো)qablihimفَٱنظُرْঅতএব দেখোfa-unẓurكَيْفَকেমনkayfaكَانَছিলোkānaعَـٰقِبَةُপরিণামʿāqibatuٱلظَّـٰلِمِينَসীমালঙ্ঘনকারীদেরl-ẓālimīna٣٩
বরং যে বিষয় তাদের জ্ঞানের সীমার মধ্যে আসে না, আর যার পরিণাম ফল এখনও উপস্থিত হয়নি তা তারা অস্বীকার করে। এভাবে তাদের পূর্ববর্তী লোকেরাও মিথ্যা মনে ক’রে অমান্য করেছিল। এখন দেখ, এই যালিমদের পরিণতি কী হয়েছে!
১০:৪০
وَمِنْهُمএবং মধ্য হতে তাদেরwamin'humمَّنকেউ কেউmanيُؤْمِنُঈমান আনবেyu'minuبِهِۦউপর তারbihiوَمِنْهُمআবার মধ্য হতে তাদেরwamin'humمَّنকেউ কেউmanلَّاনাlāيُؤْمِنُঈমান আনবেyu'minuبِهِۦ ۚউপর তারbihiوَرَبُّكَএবং তোমার রবwarabbukaأَعْلَمُখুব জানেনaʿlamuبِٱلْمُفْسِدِينَসম্পর্কে বিপর্যয় সৃষ্টকারীদেরbil-muf'sidīna٤٠
এদের কিছু লোক এতে বিশ্বাস করে আর কতক এতে বিশ্বাস করে না। তোমার প্রতিপালক এই ফাসাদ সৃষ্টিকারী লোকদের সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি অবহিত।
১০:৪১
وَإِنএবং যদিwa-inكَذَّبُوكَতোমার প্রতি মিথ্যারোপ করেkadhabūkaفَقُلতবে বলোfaqulلِّى"জন্যে আমারlīعَمَلِىআমার কাজের (পরিণতি)ʿamalīوَلَكُمْআর জন্যে তোমাদেরwalakumعَمَلُكُمْ ۖতোমাদের কাজের (পরিণতি)ʿamalukumأَنتُمতোমরাantumبَرِيٓـُٔونَদায়িত্বমুক্তbarīūnaمِمَّآতা হতে যাmimmāأَعْمَلُআমি কাজ করিaʿmaluوَأَنَا۠এবং আমিwa-anāبَرِىٓءٌۭদায়িত্বমুক্তbarīonمِّمَّاতা হতে যাmimmāتَعْمَلُونَতোমরা কাজ করো"taʿmalūna٤١
যদি তারা তোমাকে মিথ্যা জেনে অমান্য ক’রে তাহলে বল, ‘আমার কাজের জন্য আমি দায়ী, আর তোমাদের কাজের জন্য তোমরা দায়ী, আমি যা করি তার দায়-দায়িত্ব থেকে তোমরা মুক্ত, আর তোমরা যা কর তার দায়-দায়িত্ব থেকে আমি মুক্ত।’
১০:৪২
وَمِنْهُمএবং মধ্যে থেকে তাদেরwamin'humمَّنকেউ কেউmanيَسْتَمِعُونَমনোযোগ দিয়ে শোনেyastamiʿūnaإِلَيْكَ ۚদিকে তোমারilaykaأَفَأَنتَকি তবে তুমিafa-antaتُسْمِعُশুনাবেtus'miʿuٱلصُّمَّবধিরদেরকেl-ṣumaوَلَوْএবং যদিওwalawكَانُوا۟তারা হলো (এমন যে)kānūلَاনাlāيَعْقِلُونَতারা বুঝতে পারেyaʿqilūna٤٢
এদের মধ্যে কেউ কেউ তোমার কথা শুনার ভান করে। তাহলে তুমি কি বধিরকে শুনাবে, তারা না বুঝলেও?
১০:৪৩
وَمِنْهُمএবং মধ্যে থেকে তাদেরwamin'humمَّنকেউ কেউmanيَنظُرُতাকিয়ে থাকেyanẓuruإِلَيْكَ ۚদিকে তোমারilaykaأَفَأَنتَকি তবে তুমিafa-antaتَهْدِىপথ দেখাবেtahdīٱلْعُمْىَঅন্ধকেl-ʿum'yaوَلَوْএবং যদিওwalawكَانُوا۟তারা হলো (এমন যে)kānūلَاনাlāيُبْصِرُونَদেখতে পায়yub'ṣirūna٤٣
তাদের মধ্যে কেউ কেউ তোমার দিকে তাকায়, তুমি কি অন্ধকে পথ দেখাবে, তারা না দেখলেও?
১০:৪৪
إِنَّনিশ্চয়ইinnaٱللَّهَআল্লাহl-lahaلَاনাlāيَظْلِمُঅবিচার করেনyaẓlimuٱلنَّاسَমানুষের (উপর)l-nāsaشَيْـًۭٔاকিছুমাত্রওshayanوَلَـٰكِنَّকিন্তুwalākinnaٱلنَّاسَমানুষl-nāsaأَنفُسَهُمْনিজেদের তাদের (উপর)anfusahumيَظْلِمُونَতারা অবিচার করেyaẓlimūna٤٤
অবশ্যই আল্লাহ মানুষদের প্রতি কোন যুলম করেন না, কিন্তু মানুষ নিজেদের প্রতি যুলম ক’রে থাকে।
১০:৪৫
وَيَوْمَএবং যেদিনwayawmaيَحْشُرُهُمْএকত্র করবেন তিনি তাদেরকেyaḥshuruhumكَأَن(তারা ভাববে) যেনka-anلَّمْনিlamيَلْبَثُوٓا۟তারা অবস্হান করেyalbathūإِلَّاএ ছাড়াillāسَاعَةًۭ(মাত্র)এক মুহূর্তকালsāʿatanمِّنَথেকেminaٱلنَّهَارِদিনেরl-nahāriيَتَعَارَفُونَতারা পরস্পরে চিনবেyataʿārafūnaبَيْنَهُمْ ۚতাদের মাঝের (লোকদেরকে)baynahumقَدْনিশ্চয়ইqadخَسِرَক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেkhasiraٱلَّذِينَযারাalladhīnaكَذَّبُوا۟মিথ্যারোপ করেছেkadhabūبِلِقَآءِপ্রতি সাক্ষাতেরbiliqāiٱللَّهِআল্লাহরl-lahiوَمَاএবং নাwamāكَانُوا۟তারা ছিলোkānūمُهْتَدِينَসৎপথ প্রাপ্তmuh'tadīna٤٥
যে দিন তাদেরকে একত্রিত করা হবে (সেদিন তারা মনে করবে যে) দিনের এক মুহূর্তের বেশি তারা (দুনিয়াতে) অবস্থান করেনি। তারা পরস্পরকে চিনতে পারবে। যারা আল্লাহর সাক্ষাৎকে অস্বীকার করে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আর তারা কখনই সঠিক পথপ্রাপ্ত ছিল না।
১০:৪৬
وَإِمَّاএবং যদিwa-immāنُرِيَنَّكَতোমাকে দেখাই আমরাnuriyannakaبَعْضَকিছু অংশbaʿḍaٱلَّذِىযারalladhīنَعِدُهُمْভয় দেখাচ্ছি তাদেরnaʿiduhumأَوْঅথবাawنَتَوَفَّيَنَّكَতোমার মৃত্যু ঘটাই আমরাnatawaffayannakaفَإِلَيْنَاতবুও দিকে আমাদেরইfa-ilaynāمَرْجِعُهُمْপ্রত্যাবর্তন তাদের (হবে)marjiʿuhumثُمَّএরপরthummaٱللَّهُআল্লাহl-lahuشَهِيدٌসাক্ষী (আছেন)shahīdunعَلَىٰউপরʿalāمَا(ঐ বিষয়ের) যাmāيَفْعَلُونَতারা করছেyafʿalūna٤٦
আমি তাদেরকে যে পরিণতির ভয় দেখিয়েছি তার কিছু অংশ আমি যদি তোমাকে দেখিয়ে দেই, কিংবা (তার পূর্বেই) তোমাকে যদি উঠিয়ে দেই, (অবস্থা যেটাই হোক না কেন) তাদের প্রত্যাবর্তন তো আমার কাছেই, (সর্বোপরি) তারা যা কিছু করছে আল্লাহ হচ্ছেন তার সাক্ষী।
১০:৪৭
وَلِكُلِّএবং জন্যে প্রত্যেকwalikulliأُمَّةٍۢজাতিরummatinرَّسُولٌۭ ۖএকজন রাসূল(রয়েছে)rasūlunفَإِذَاঅতঃপর যখনfa-idhāجَآءَএসেছেjāaرَسُولُهُمْরাসূল তাদের(রয়েছে)rasūluhumقُضِىَমীমাংসা করা হয়েছেquḍiyaبَيْنَهُمমাঝে তাদেরbaynahumبِٱلْقِسْطِসাথে ন্যায়বিচারেরbil-qis'ṭiوَهُمْএবং তাদের (উপর)wahumلَاনাlāيُظْلَمُونَঅবিচার করা হয়েছেyuẓ'lamūna٤٧
প্রত্যেক জাতির জন্য (পাঠানো হয়েছে) একজন রসূল। তাদের রসূল যখন এসেছে তখন ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে তাদের মাঝে ফায়সালা করা হয়েছে। তাদের প্রতি কোন যুলম করা হয়নি।
১০:৪৮
وَيَقُولُونَএবং তারা বলেwayaqūlūnaمَتَىٰ"কখন (বাস্তবায়িত হবে)matāهَـٰذَاএইhādhāٱلْوَعْدُপ্রতিশ্রুতিl-waʿduإِنযদিinكُنتُمْহও তোমরাkuntumصَـٰدِقِينَসত্যবাদী"ṣādiqīna٤٨
তারা বলে, ‘‘তোমরা সত্যবাদী হলে (বল তো) এই প্রতিশ্রুতি কখন সত্য হয়ে দেখা দিবে?’’
১০:৪৯
قُلবলোqulلَّآ"নাlāأَمْلِكُঅধিকার রাখি আমিamlikuلِنَفْسِى(এমনকি) জন্যও নিজেরlinafsīضَرًّۭاকোনো ক্ষতিরḍarranوَلَاআর নাwalāنَفْعًاকোনো উপকারেরnafʿanإِلَّاএ ছাড়াillāمَاযাmāشَآءَইচ্ছে করেনshāaٱللَّهُ ۗআল্লাহl-lahuلِكُلِّজন্যে প্রত্যেকlikulliأُمَّةٍজাতিরummatinأَجَلٌ ۚনির্দিষ্ট সময় (রয়েছে)ajalunإِذَاযখনidhāجَآءَআসবেjāaأَجَلُهُمْনির্দিষ্ট সময় তারajaluhumفَلَاঅতঃপর নাfalāيَسْتَـْٔخِرُونَপিছাতে পারবেyastakhirūnaسَاعَةًۭ ۖমুহূর্তকালওsāʿatanوَلَاআর নাwalāيَسْتَقْدِمُونَএগিয়ে নিতে পারবে"yastaqdimūna٤٩
বল, ‘আল্লাহর ইচ্ছে ব্যতীত আমার নিজেরও কোন ক্ষতি বা লাভ করার ক্ষমতা নেই।’ প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য একটা নির্দিষ্ট সময় নির্ধারিত আছে। তাদের সেই নির্দিষ্ট সময় চলে আসলে তারা এক মুহূর্তও আগ-পাছ করতে পারবে না।
১০:৫০
قُلْবলোqulأَرَءَيْتُمْ"কি (ভেবে) দেখেছো তোমরাara-aytumإِنْযদিinأَتَىٰكُمْতোমাদের উপর আসেatākumعَذَابُهُۥশাস্তি তাঁর(সহসা)ʿadhābuhuبَيَـٰتًاরাতেbayātanأَوْবাawنَهَارًۭاদিনে (তবে তোমরা কি করবে)nahāranمَّاذَاকি (কারণ আছে)mādhāيَسْتَعْجِلُতাড়াহুড়া করতে চায়yastaʿjiluمِنْهُথেকে তাmin'huٱلْمُجْرِمُونَঅপরাধীরা"l-muj'rimūna٥٠
বল, ‘তোমরা কি চিন্তা করে দেখেছ যদি তাঁর ‘আযাব হঠাৎ করে রাতে বা দিনে তোমাদের উপর এসে পড়ে (তাহলে তো তোমাদের করার কিছুই নেই) অপরাধীরা তার কোনটা তাড়াহুড়ো করে আনতে চায়?
১০:৫১
أَثُمَّকি এরপরathummaإِذَاযখনidhāمَاতাmāوَقَعَঘটে যাবেwaqaʿaءَامَنتُمবিশ্বাস করবে তোমরাāmantumبِهِۦٓ ۚউপর তারbihiءَآلْـَٔـٰنَকি এখন (রক্ষা পেতে চাও)āl'ānaوَقَدْঅথচ নিশ্চয়ইwaqadكُنتُمতোমরা ছিলেkuntumبِهِۦসম্বন্ধে তাbihiتَسْتَعْجِلُونَতাড়াহুড়া করতে চাইতেtastaʿjilūna٥١
তাহলে ওটা বাস্তবে ঘটে যাওয়ার পরই কি তোমরা তাতে বিশ্বাস করতে চাও? (ঘটে যাওয়ার পর বলা হবে) ‘এখন, (বিশ্বাস করলে) এটার জন্য তোমরা তাড়াহুড়ো করছিলে!’
১০:৫২
ثُمَّএরপরthummaقِيلَবলা হবেqīlaلِلَّذِينَউদ্দেশ্যে তাদের (যারা)lilladhīnaظَلَمُوا۟সীমালঙ্ঘন করেছিলোẓalamūذُوقُوا۟"তোমরা স্বাদ নাওdhūqūعَذَابَশাস্তিরʿadhābaٱلْخُلْدِস্থায়ীl-khul'diهَلْকিhalتُجْزَوْنَতোমাদের প্রতিফল দেয়া হবেtuj'zawnaإِلَّاএ ছাড়াillāبِمَاঐ বিষয়ে যাbimāكُنتُمْতোমরা ছিলেkuntumتَكْسِبُونَতোমরা অর্জন করতে"taksibūna٥٢
অবশেষে যালিমদেরকে বলা হবে- ‘স্থায়ী শাস্তির স্বাদ গ্রহণ কর, তোমরা যা কিছু উপার্জন করেছিলে তার প্রতিফল ছাড়া তোমাদের আর কী দেয়া যেতে পারে!
১০:৫৩
۞ وَيَسْتَنۢبِـُٔونَكَএবং তোমার কাছে তারা জানতে চায়wayastanbiūnakaأَحَقٌّ"কি সত্য"aḥaqqunهُوَ ۖ"তা"huwaقُلْবলোqulإِى"হ্যাঁīوَرَبِّىٓশপথ আমার রবেরwarabbīإِنَّهُۥনিশ্চয়ই তাinnahuلَحَقٌّۭ ۖঅবশ্যই সত্যlaḥaqqunوَمَآএবং নওwamāأَنتُمতোমরাantumبِمُعْجِزِينَব্যর্থকারী"bimuʿ'jizīna٥٣
তারা তোমার কাছে জানতে চায় (তুমি যা বলছ) সেগুলো কি প্রকৃতই সঠিক? বল-‘হাঁ, আমার রবের কসম! তা একবারেই সত্য। তোমরা তা বানচাল করতে পারবে না।
১০:৫৪
وَلَوْএবং যদি (এমন হতো)walawأَنَّঅবশ্যইannaلِكُلِّজন্যে প্রত্যেকlikulliنَفْسٍۢব্যক্তিরnafsinظَلَمَتْ(যে) সীমালঙ্ঘন করেছেẓalamatمَاযা কিছুmāفِىমধ্যে (আছে)fīٱلْأَرْضِপৃথিবীর (সব তারই)l-arḍiلَٱفْتَدَتْঅবশ্যই মুক্তিপণ হিসেবে দিতো(বাঁচার জন্য)la-if'tadatبِهِۦ ۗদিয়ে তাbihiوَأَسَرُّوا۟এবং তারা গোপনে করবেwa-asarrūٱلنَّدَامَةَঅনুতাপl-nadāmataلَمَّاযখনlammāرَأَوُا۟দেখবেra-awūٱلْعَذَابَ ۖশাস্তিl-ʿadhābaوَقُضِىَএবং মীমাংসা করা হবেwaquḍiyaبَيْنَهُمমাঝে তাদেরbaynahumبِٱلْقِسْطِ ۚসাথে ন্যায়বিচারেরbil-qis'ṭiوَهُمْএবং তাদের (উপর)wahumلَاনাlāيُظْلَمُونَঅবিচার করা হবেyuẓ'lamūna٥٤
যুলম করেছে এমন প্রত্যেকেই দুনিয়াতে যা কিছু আছে যদি তা সব তার হত তবে সে বিনিময়ে তা প্রদান করে ‘আযাব হতে বাঁচতে চাইত। তারা যখন ‘আযাব প্রত্যক্ষ করবে তখন মনের দুঃখ-তাপ গোপন করবে। ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে তাদের ব্যাপারে ফায়সালা করা হবে। তাদের প্রতি কোন প্রকার যুলম করা হবে না।
১০:৫৫
أَلَآসাবধান (শুনে রাখো)alāإِنَّনিশ্চয়ইinnaلِلَّهِজন্যে আল্লাহরইlillahiمَاযাকিছুmāفِىমধ্যে (আছে)fīٱلسَّمَـٰوَٰتِআকাশসমূহেরl-samāwātiوَٱلْأَرْضِ ۗও পৃথিবীরwal-arḍiأَلَآসাবধান (শুনে রাখো)alāإِنَّনিশ্চয়ইinnaوَعْدَপ্রতিশ্রুতিwaʿdaٱللَّهِআল্লাহরl-lahiحَقٌّۭসত্যḥaqqunوَلَـٰكِنَّকিন্তুwalākinnaأَكْثَرَهُمْঅধিকাংশই তাদেরaktharahumلَاনাlāيَعْلَمُونَতারা জানেyaʿlamūna٥٥
জেনে রেখ, আসমানসমূহ আর যমীনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর। জেনে রেখ, আল্লাহর ওয়া‘দা সত্য, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ (এ সকল বিষয়) জানে না।
১০:৫৬
هُوَতিনিইhuwaيُحْىِۦজীবনদান করেনyuḥ'yīوَيُمِيتُও মৃত্যু ঘটানwayumītuوَإِلَيْهِএবং দিকে তাঁরইwa-ilayhiتُرْجَعُونَতোমরা প্রত্যাবর্তিত হবেtur'jaʿūna٥٦
তিনি জীবন দান করেন, তিনিই মৃত্যু দেন, আর তাঁর দিকেই তোমরা ফিরে যাবে।
১০:৫৭
يَـٰٓأَيُّهَاহেyāayyuhāٱلنَّاسُমানব সমাজl-nāsuقَدْনিশ্চয়ইqadجَآءَتْكُمকাছে এসেছে তোমাদেরjāatkumمَّوْعِظَةٌۭউপদেশmawʿiẓatunمِّنপক্ষ হতেminرَّبِّكُمْরবের তোমাদেরrabbikumوَشِفَآءٌۭও আরোগ্যwashifāonلِّمَاতার জন্যে যাlimāفِىমধ্যে (আছে)fīٱلصُّدُورِঅন্তরসমূহেরl-ṣudūriوَهُدًۭىএবং পথনির্দেশwahudanوَرَحْمَةٌۭও দয়াwaraḥmatunلِّلْمُؤْمِنِينَজন্য মু'মিনদেরlil'mu'minīna٥٧
হে মানুষ! তোমাদের প্রতিপালকের নিকট থেকে তোমাদের কাছে এসেছে নাসীহাত আর তোমাদের অন্তরে যা আছে তার নিরাময়, আর মু’মিনদের জন্য সঠিক পথের দিশা ও রহমাত।
১০:৫৮
قُلْবলোqulبِفَضْلِ"মাধ্যমে অনুগ্রহেরbifaḍliٱللَّهِ"আল্লাহরl-lahiوَبِرَحْمَتِهِۦও মাধ্যমে দয়ার তাঁর (এটা পাঠিয়েছেন)wabiraḥmatihiفَبِذَٰلِكَসুতরা এজন্যেfabidhālikaفَلْيَفْرَحُوا۟অতএব তাদের আনন্দ করা উচিত"falyafraḥūهُوَএটাhuwaخَيْرٌۭউত্তমkhayrunمِّمَّاতা হতে যাmimmāيَجْمَعُونَতারা জমা করছেyajmaʿūna٥٨
বল, আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়ার বদৌলতে (তা এসেছে), এজন্য তারা আনন্দিত হোক। তারা যা স্তুপীকৃত করছে তার চেয়ে তা (অর্থাৎ হিদায়াত ও রহমাতপূর্ণ কুরআন) উত্তম।
১০:৫৯
قُلْবলোqulأَرَءَيْتُم"কি (ভেবে) দেখেছো তোমরাara-aytumمَّآযাmāأَنزَلَঅবতীর্ণ করেছেনanzalaٱللَّهُআল্লাহl-lahuلَكُمজন্যে তোমাদেরlakumمِّنহতেminرِّزْقٍۢজীবিকাriz'qinفَجَعَلْتُمঅতঃপর তোমরা বানিয়েছোfajaʿaltumمِّنْهُকিছু তারmin'huحَرَامًۭاহারামḥarāmanوَحَلَـٰلًۭاআর হালাল"waḥalālanقُلْবলোqulءَآللَّهُ"কি আল্লাহāllahuأَذِنَঅনুমতি দিয়েছেনadhinaلَكُمْ ۖপ্রতি তোমাদেরlakumأَمْঅথবাamعَلَىউপরʿalāٱللَّهِআল্লাহরl-lahiتَفْتَرُونَতোমরা মিথ্যারোপ করছো"taftarūna٥٩
বল-তোমরা কি ভেবে দেখেছ আল্লাহ যে রিযক তোমাদের জন্য পাঠিয়েছেন, তোমরা তার কতকগুলোকে হারাম আর কতককে হালাল করে নিয়েছ। বল, আল্লাহ কি তোমাদেরকে এর অনুমতি দিয়েছেন? না তোমরা আল্লাহর উপর মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছ?
১০:৬০
وَمَاএবং কিwamāظَنُّধারণা (করে)ẓannuٱلَّذِينَ(তারা) যারাalladhīnaيَفْتَرُونَরচনা করেyaftarūnaعَلَىউপরʿalāٱللَّهِআল্লাহরl-lahiٱلْكَذِبَমিথ্যাl-kadhibaيَوْمَ(সম্বন্ধে) দিনyawmaٱلْقِيَـٰمَةِ ۗক্বিয়ামাতেরl-qiyāmatiإِنَّনিশ্চয়ইinnaٱللَّهَআল্লাহl-lahaلَذُوঅবশ্যইladhūفَضْلٍঅনুগ্রহসম্পন্নfaḍlinعَلَىউপরʿalāٱلنَّاسِমানুষেরl-nāsiوَلَـٰكِنَّকিন্তুwalākinnaأَكْثَرَهُمْঅধিকাংশই তাদেরaktharahumلَاনাlāيَشْكُرُونَকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেyashkurūna٦٠
যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যোরোপ করে, কিয়ামাতের দিন (আল্লাহ তাদের সঙ্গে যে ব্যবহার করবেন সে) সম্পর্কে তাদের কী ধারণা? আল্লাহ তো মানুষদের উপর বড়ই অনুগ্রহশীল, কিন্তু তাদের অধিকাংশই আল্লাহর শোকর করে না।
১০:৬১
وَمَاএবং নাwamāتَكُونُতুমি থাকোtakūnuفِىমধ্যেfīشَأْنٍۢ(যে কোনো) অবস্থারshaninوَمَاএবং যা কিছুwamāتَتْلُوا۟তুমি তিলাওয়াত করোtatlūمِنْهُসম্পর্কে তা(কিছু)min'huمِنহতেminقُرْءَانٍۢকুর'আনqur'āninوَلَاএবং নাwalāتَعْمَلُونَতোমরা কাজ করোtaʿmalūnaمِنْকোনোminعَمَلٍকাজʿamalinإِلَّاএ ছাড়া যেillāكُنَّاআমরা থাকিkunnāعَلَيْكُمْউপর তোমাদেরʿalaykumشُهُودًاসাক্ষীshuhūdanإِذْযখনidhتُفِيضُونَতোমরা প্রবৃত্ত হওtufīḍūnaفِيهِ ۚমধ্যে তারfīhiوَمَاএবং নাwamāيَعْزُبُঅগোচরে থাকেyaʿzubuعَنথেকেʿanرَّبِّكَরবের তোমারrabbikaمِنকোনোminمِّثْقَالِপরিমাণওmith'qāliذَرَّةٍۢঅণুdharratinفِىমধ্যেfīٱلْأَرْضِপৃথিবীরl-arḍiوَلَاআর নাwalāفِىমধ্যেfīٱلسَّمَآءِআকাশেরl-samāiوَلَآএবং নাwalāأَصْغَرَক্ষুদ্রতরaṣgharaمِنচেয়েminذَٰلِكَএটারdhālikaوَلَآআর নাwalāأَكْبَرَবৃহত্তরakbaraإِلَّاএ ছাড়া যেillāفِىমধ্যেfīكِتَـٰبٍۢকিতাবের (লিখিত আছে)kitābinمُّبِينٍসুস্পষ্টmubīnin٦١
তুমি যে অবস্থাতেই থাক না কেন, আর তুমি কুরআন থেকে যা কিছুই তিলাওয়াত কর না কেন, আর যে ‘আমালই তোমরা কর না কেন, আমি তোমাদের উপর রয়েছি প্রত্যক্ষদর্শী, যখন তোমরা তাতে পূর্ণরূপে মনোনিবেশ কর। এমন অণু পরিমাণ বা তাত্থেকে ছোট বা তাত্থেকে বড় বস্তু না আছে পৃথিবীতে, আর না আছে আসমানে যা তোমার প্রতিপালকের দৃষ্টির আড়ালে আছে। তা (লেখা) আছে এক সুস্পষ্ট কিতাবে।
১০:৬২
أَلَآসাবধান (জেনে রাখো)alāإِنَّনিশ্চয়ইinnaأَوْلِيَآءَবন্ধুদেরawliyāaٱللَّهِআল্লাহরl-lahiلَاনেইlāخَوْفٌকোনো ভয়khawfunعَلَيْهِمْউপর তাদেরʿalayhimوَلَاএবং নাwalāهُمْতারাhumيَحْزَنُونَদুঃখিত হবেyaḥzanūna٦٢
জেনে রেখ! আল্লাহর বন্ধুদের কোন ভয় নেই আর তারা দুঃখিতও হবে না।
১০:৬৩
ٱلَّذِينَযারাalladhīnaءَامَنُوا۟ঈমান এনেছেāmanūوَكَانُوا۟ও তারা ছিলোwakānūيَتَّقُونَতাকওয়া অবলম্বন করেছেyattaqūna٦٣
যারা ঈমান আনে আর তাকওয়া অবলম্বন করে
১০:৬৪
لَهُمُজন্যে তাদের (রয়েছে)lahumuٱلْبُشْرَىٰসুসংবাদl-bush'rāفِىমধ্যেfīٱلْحَيَوٰةِজীবনেরl-ḥayatiٱلدُّنْيَاপার্থিবl-dun'yāوَفِىএবং মধ্যেwafīٱلْـَٔاخِرَةِ ۚআখিরাতেরl-ākhiratiلَاনেইlāتَبْدِيلَকোনো পরিবর্তনtabdīlaلِكَلِمَـٰتِজন্যে কথাগুলোরlikalimātiٱللَّهِ ۚআল্লাহরl-lahiذَٰلِكَএটাdhālikaهُوَসেইhuwaٱلْفَوْزُসাফল্যl-fawzuٱلْعَظِيمُমহাl-ʿaẓīmu٦٤
তাদের জন্য সুসংবাদ দুনিয়ার জীবনে আর আখেরাতেও। আল্লাহর কথার কোন হেরফের হয় না, এটাই হল বিরাট সাফল্য।
১০:৬৫
وَلَاএবং না (যেন)walāيَحْزُنكَদুঃখ দেয় তোমাকেyaḥzunkaقَوْلُهُمْ ۘকথা তাদেরqawluhumإِنَّনিশ্চয়ইinnaٱلْعِزَّةَসব সম্মানইl-ʿizataلِلَّهِজন্যে আল্লাহরইlillahiجَمِيعًا ۚসবjamīʿanهُوَতিনিইhuwaٱلسَّمِيعُসবকিছু শুনেনl-samīʿuٱلْعَلِيمُসবকিছু জানেনl-ʿalīmu٦٥
ওদের কথা যেন তোমাকে দুঃখ না দেয়, যাবতীয় সম্মান আল্লাহরই জন্য, তিনি সব কিছুই শোনেন, সব কিছু জানেন।
১০:৬৬
أَلَآসাবধান (জেনে রাখো)alāإِنَّনিশ্চয়ইinnaلِلَّهِজন্যে আল্লাহরই (মালিকানাভুক্ত)lillahiمَنযারাmanفِىমধ্যে (আছে)fīٱلسَّمَـٰوَٰتِআকাশসমূহেরl-samāwātiوَمَنএবং যারাwamanفِىমধ্যে (আছে)fīٱلْأَرْضِ ۗপৃথিবীরl-arḍiوَمَاএবং কিসেরwamāيَتَّبِعُঅনুসরণ করেyattabiʿuٱلَّذِينَ(তারা) যারাalladhīnaيَدْعُونَডাকেyadʿūnaمِنদিয়েminدُونِবাদdūniٱللَّهِআল্লাহl-lahiشُرَكَآءَ ۚ(তাদের কল্পিত) শরীকদেরকেshurakāaإِنনাinيَتَّبِعُونَতারা অনুসরণ করেyattabiʿūnaإِلَّاএ ছাড়াillāٱلظَّنَّঅনুমানেরl-ẓanaوَإِنْএবং নাwa-inهُمْতারাhumإِلَّاএ ছাড়াillāيَخْرُصُونَমিথ্যা বলেyakhruṣūna٦٦
জেনে রেখ! যা কিছু আসমানসমূহে আছে আর যারা যমীনে আছে সবাই আল্লাহর। (এ অবস্থায়) যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে (তাদের মনগড়া) শরীকদের ডাকে তারা কিসের অনুসরণ করে? তারা ধারণা-অনুমান ছাড়া অন্য কিছুরই অনুসরণ করে না, আর তারা শুধু মিথ্যাই বলে।
১০:৬৭
هُوَতিনিই (আল্লাহ)huwaٱلَّذِىযিনিalladhīجَعَلَবানিয়েছেনjaʿalaلَكُمُজন্যে তোমাদেরlakumuٱلَّيْلَরাতকেal-laylaلِتَسْكُنُوا۟যেন তোমরা বিশ্রাম নাওlitaskunūفِيهِমধ্যে তারfīhiوَٱلنَّهَارَএবং দিনকে (বানিয়েছেন)wal-nahāraمُبْصِرًا ۚদেখার জন্যেmub'ṣiranإِنَّনিশ্চয়ইinnaفِىমধ্যে (রয়েছে)fīذَٰلِكَএরdhālikaلَـَٔايَـٰتٍۢঅবশ্যই নিদর্শনাবলীlaāyātinلِّقَوْمٍۢজন্যে সম্প্রদায়েরliqawminيَسْمَعُونَ(যারা উন্মুক্ত কানে) শোনেyasmaʿūna٦٧
তিনিই তোমাদের জন্য রাত বানিয়েছেন যেন তোমরা তাতে শান্তি লাভ করতে পার, আর দিন সৃষ্টি করেছেন (সব কিছু) দেখার জন্য। অবশ্যই এতে নিদর্শন আছে ঐ সম্প্রদায়ের জন্য যারা (মনোযোগ দিয়ে) শোনে।
১০:৬৮
قَالُوا۟তারা বলেqālūٱتَّخَذَ"গ্রহণ করেছেনittakhadhaٱللَّهُ"আল্লাহl-lahuوَلَدًۭا ۗসন্তান"waladanسُبْحَـٰنَهُۥ ۖ(প্রকৃতপক্ষে)পবিত্র তিনিsub'ḥānahuهُوَতিনিhuwaٱلْغَنِىُّ ۖঅভাবমুক্তl-ghaniyuلَهُۥজন্যে তাঁরইlahuمَاযা কিছুmāفِىমধ্যে (আছে)fīٱلسَّمَـٰوَٰتِআকাশেরl-samāwātiوَمَاএবং যা কিছুwamāفِىমধ্যে (আছে)fīٱلْأَرْضِ ۚপৃথিবীরl-arḍiإِنْনেইinعِندَكُمকাছে তোমাদেরʿindakumمِّنকোনোminسُلْطَـٰنٍۭপ্রমাণsul'ṭāninبِهَـٰذَآ ۚসম্বন্ধে এই(তোমাদের দাবীর)bihādhāأَتَقُولُونَকি তোমরা বলছোataqūlūnaعَلَىউপরʿalāٱللَّهِআল্লাহরl-lahiمَاযাmāلَاনাlāتَعْلَمُونَতোমরা জানোtaʿlamūna٦٨
ওরা বলে-‘‘আল্লাহ পুত্র গ্রহণ করেছেন’’। মহান পবিত্র তিনি, তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, আসমানসমূহে ও যমীনে যা আছে সবই তাঁর মালিকানাধীন, (আল্লাহ পুত্র গ্রহণ করেছেন) এ ব্যাপারে তোমাদের কাছে কোন প্রমাণ নেই, তাহলে তোমরা কি আল্লাহ সম্পর্কে এমন কথা বলছ যে বিষয়ে তোমাদের কোনই জ্ঞান নেই?
১০:৬৯
قُلْবলোqulإِنَّ"নিশ্চয়ইinnaٱلَّذِينَযারাalladhīnaيَفْتَرُونَরচনা করেyaftarūnaعَلَىউপরʿalāٱللَّهِআল্লাহরl-lahiٱلْكَذِبَমিথ্যাl-kadhibaلَاনা"lāيُفْلِحُونَতারা সফলকাম হয়"yuf'liḥūna٦٩
বল ‘‘যারা আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যে রচনা করে, তারা কক্ষনো কল্যাণ পাবে না।
১০:৭০
مَتَـٰعٌۭ(তাদের জন্যে) সুখ সম্ভোগmatāʿunفِىমধ্যে (আছে)fīٱلدُّنْيَاপৃথিবীর(অতি নগণ্য)l-dun'yāثُمَّএরপরthummaإِلَيْنَاদিকে আমাদেরইilaynāمَرْجِعُهُمْপ্রত্যাবর্তন তাদের (হবে)marjiʿuhumثُمَّএরপরthummaنُذِيقُهُمُআস্বাদন করাবো আমরা তাদেরnudhīquhumuٱلْعَذَابَশাস্তিl-ʿadhābaٱلشَّدِيدَকঠোরl-shadīdaبِمَاএ কারণে যাbimāكَانُوا۟তারা ছিলোkānūيَكْفُرُونَতারা অবিশ্বাস করতেyakfurūna٧٠
দুনিয়াতে আছে তাদের জন্য সামান্য ভোগ্যবস্তু, অতঃপর আমার কাছেই হবে তাদের প্রত্যাবর্তন, তখন তাদের কুফুরীর কারণে তাদেরকে আমি কঠিন ‘আযাব আস্বাদন করাব।
১০:৭১
۞ وَٱتْلُএবং তিলাওয়াত করোwa-ut'luعَلَيْهِمْকাছে তাদেরʿalayhimنَبَأَসংবাদnaba-aنُوحٍনূহেরnūḥinإِذْ(সেই সময়ের) যখনidhقَالَসে বলেছিলোqālaلِقَوْمِهِۦউদ্দেশ্যে তার জাতিরliqawmihiيَـٰقَوْمِ"হে আমার জাতিyāqawmiإِنযদিinكَانَহয়kānaكَبُرَদুঃসহkaburaعَلَيْكُمউপর তোমাদেরʿalaykumمَّقَامِىআমার অবস্থানmaqāmīوَتَذْكِيرِىও আমার উপদেশwatadhkīrīبِـَٔايَـٰتِদ্বারা নিদর্শনাবলীbiāyātiٱللَّهِআল্লাহরl-lahiفَعَلَىতবে উপরfaʿalāٱللَّهِআল্লাহরইl-lahiتَوَكَّلْتُআমি নির্ভর করছিtawakkaltuفَأَجْمِعُوٓا۟সুতরাং তোমরা সমবেত (হয়ে সম্পন্ন) করোfa-ajmiʿūأَمْرَكُمْ(করণীয়)কর্তব্য তোমাদেরamrakumوَشُرَكَآءَكُمْও শরীকদেরকেও তোমাদের (সমবেত করো)washurakāakumثُمَّএরপরthummaلَاনাlāيَكُنْহয় (যেন)yakunأَمْرُكُمْকর্তব্য তোমাদেরamrukumعَلَيْكُمْকাছে তোমাদেরʿalaykumغُمَّةًۭসংশয়পূর্ণghummatanثُمَّএরপরthummaٱقْضُوٓا۟তোমরা সিদ্ধান্ত নিষ্পন্ন করোiq'ḍūإِلَىَّআমার প্রতিilayyaوَلَاএবং নাwalāتُنظِرُونِআমাকে তোমরা অবকাশ দিওtunẓirūni٧١
তাদেরকে নূহের কাহিনী পড়ে শোনাও। যখন সে তার সম্প্রদায়কে বলেছিল, ‘হে আমার সম্প্রদায়! আমার অবস্থিতি আর আল্লাহর আয়াতসমূহ দ্বারা তোমাদের প্রতি আমার উপদেশ দান যদি তোমাদের নিকট অসহ্য মনে হয় (তাতে আমার কোন পরোয়া নেই) কারণ আমি ভরসা করি আল্লাহর উপর। তোমরা তোমাদের শরীকদেরকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ কর, পরে তোমাদের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তোমাদের মাঝে যেন অস্পষ্টতা না থাকে, অতঃপর আমার উপর তা কার্যকর কর আর আমাকে কোন অবকাশই দিও না।
১০:৭২
فَإِنএরপরও যদিfa-inتَوَلَّيْتُمْতোমরা মুখ ফিরাওtawallaytumفَمَاতবে নাfamāسَأَلْتُكُمতোমাদের কাছে আমি চাইsa-altukumمِّنْকোনোminأَجْرٍ ۖপারিশ্রমিকajrinإِنْনেইinأَجْرِىَপ্রতিদান আমারajriyaإِلَّاএ ছাড়াillāعَلَىনিকটʿalāٱللَّهِ ۖআল্লাহরl-lahiوَأُمِرْتُএবং আমাকে আদেশ করা হয়েছেwa-umir'tuأَنْযেanأَكُونَআমি হই (যেন)akūnaمِنَঅন্তর্ভুক্তminaٱلْمُسْلِمِينَআত্মসমর্পণকারীদের"l-mus'limīna٧٢
আর যদি তোমরা (আমার আহবান থেকে) মুখ ফিরিয়ে নাও (তাতে আমার কোন ক্ষতি হবে না), আমি তো তোমাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাচ্ছি না, আমার পারিশ্রমিক আছে কেবল আল্লাহরই নিকট, আমাকে আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে শামিল হওয়ারই আদেশ দেয়া হয়েছে।
১০:৭৩
فَكَذَّبُوهُঅতঃপর তাঁর প্রতি তারা মিথ্যারোপ করলোfakadhabūhuفَنَجَّيْنَـٰهُতখন আমরা উদ্ধার করলাম তাঁকেfanajjaynāhuوَمَنএবং যারাwamanمَّعَهُۥসাথে তাঁর(ছিলো)maʿahuفِىমধ্যেfīٱلْفُلْكِনৌকারl-ful'kiوَجَعَلْنَـٰهُمْএবং আমরা বানালাম তাদেরকেwajaʿalnāhumخَلَـٰٓئِفَপ্রতিনিধিkhalāifaوَأَغْرَقْنَاএবং ডুবিয়ে দিলাম আমরাwa-aghraqnāٱلَّذِينَ(তাদেরকে) যারাalladhīnaكَذَّبُوا۟মিথ্যারোপ করেছিলোkadhabūبِـَٔايَـٰتِنَا ۖপ্রতি নিদর্শনাবলীর আমাদেরbiāyātināفَٱنظُرْসুতরাং দেখোfa-unẓurكَيْفَকেমনkayfaكَانَহয়েছিলোkānaعَـٰقِبَةُপরিণামʿāqibatuٱلْمُنذَرِينَযাদের সতর্ক করা হয়েছিলোl-mundharīna٧٣
কিন্তু তারা তাকে মিথ্যে বলে অমান্য করল। তখন আমি তাকে আর তার সঙ্গে যারা নৌকায় ছিল তাদেরকে রক্ষা করলাম আর তাদেরকে (পৃথিবীতে) উত্তরাধিকারী বানালাম, আর যারা আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যে ব’লে অমান্য করেছিল তাদেরকে ডুবিয়ে মারলাম। এখন দেখ যাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল (তারা সতর্ক না হওয়ায়) তাদের কী পরিণাম ঘটেছিল।
১০:৭৪
ثُمَّএরপরthummaبَعَثْنَاপাঠালাম আমরাbaʿathnāمِنۢথেকেminبَعْدِهِۦপর তারbaʿdihiرُسُلًاরাসূলদেরকেrusulanإِلَىٰপ্রতিilāقَوْمِهِمْজাতির তাদেরqawmihimفَجَآءُوهُمঅতঃপর তারা কাছে এসেছিলো তাদেরfajāūhumبِٱلْبَيِّنَـٰتِনিয়ে স্পষ্ট নিদর্শনাবলীbil-bayinātiفَمَاকিন্তু নাfamāكَانُوا۟তারা ছিলোkānūلِيُؤْمِنُوا۟জন্যে (প্রস্তুত) ঈমান আনারliyu'minūبِمَاঐ বিষয়ে যাbimāكَذَّبُوا۟তারা মিথ্যারোপ করেছিলোkadhabūبِهِۦউপর তারbihiمِنথেকেminقَبْلُ ۚপূর্বqabluكَذَٰلِكَএভাবেkadhālikaنَطْبَعُসীল মেরে দিই আমরাnaṭbaʿuعَلَىٰউপরʿalāقُلُوبِঅন্তরসমূহেরqulūbiٱلْمُعْتَدِينَসীমালঙ্ঘনকারীদেরl-muʿ'tadīna٧٤
নূহের পর আমি রসূলদেরকে তাদের সম্প্রদায়ের কাছে পাঠিয়েছিলাম, তারা তাদের কাছে সুস্পষ্ট নিদর্শন নিয়ে এসেছিল। কিন্তু পূর্বে তারা মিথ্যে জেনে প্রত্যাখ্যান করায় পরে আর ঈমান আনতে প্রস্তুত হয়নি। সীমালঙ্ঘনকারীদের হৃদয়ে এভাবেই আমি মোহর লাগিয়ে দেই।
১০:৭৫
ثُمَّএরপরthummaبَعَثْنَاপাঠিয়েছি আমরাbaʿathnāمِنۢথেকেminبَعْدِهِمপর তাদেরbaʿdihimمُّوسَىٰমূসাকেmūsāوَهَـٰرُونَও হারূনকেwahārūnaإِلَىٰপ্রতিilāفِرْعَوْنَফিরাউনেরfir'ʿawnaوَمَلَإِي۟هِۦএবং তার পরিষদবর্গের (প্রতি)wamala-ihiبِـَٔايَـٰتِنَاসহ আমাদের নিদর্শনাবলীbiāyātināفَٱسْتَكْبَرُوا۟কিন্তু তারা অহংকার করেছিলোfa-is'takbarūوَكَانُوا۟এবং তারা ছিলোwakānūقَوْمًۭاজাতিqawmanمُّجْرِمِينَঅপরাধীmuj'rimīna٧٥
তাদের পর আমি মূসা ও হারূনকে আমার নিদর্শন সহকারে ফির‘আওন ও তার প্রধানদের নিকট পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু তারা অহঙ্কার করে, তারা ছিল এক অপরাধী সম্প্রদায়।
১০:৭৬
فَلَمَّاঅতঃপর যখনfalammāجَآءَهُمُকাছে আসলো তাদেরjāahumuٱلْحَقُّপ্রকৃত সত্যl-ḥaquمِنْহতেminعِندِنَاনিকট আমাদেরʿindināقَالُوٓا۟তারা বললোqālūإِنَّ"নিশ্চয়ইinnaهَـٰذَاএটাhādhāلَسِحْرٌۭঅবশ্যই জাদুlasiḥ'runمُّبِينٌۭসুস্পষ্ট"mubīnun٧٦
অতঃপর আমার নিকট থেকে যখন তাদের কাছে প্রকৃত সত্য এসে পড়ল, তখন তারা বলল, ‘‘এটা তো অবশ্যই সুস্পষ্ট যাদু’’।
১০:৭৭
قَالَবললোqālaمُوسَىٰٓমূসাmūsāأَتَقُولُونَ"কি তোমরা বলছোataqūlūnaلِلْحَقِّসম্পর্কে সত্য (এরূপ কথা)lil'ḥaqqiلَمَّاযখনlammāجَآءَكُمْ ۖতোমাদের কাছে (তা) এসেছেjāakumأَسِحْرٌকি জাদুasiḥ'runهَـٰذَاএটাhādhāوَلَاআর নাwalāيُفْلِحُসফলকাম হয়yuf'liḥuٱلسَّـٰحِرُونَজাদুকররা"l-sāḥirūna٧٧
মূসা বলল, ‘‘প্রকৃত সত্য সম্পর্কে তোমরা (এ রকম) কথা বলছ যখন তা তোমাদের কাছে এসে গেছে। এটা কি যাদু? যাদুকররা মুক্তি পাবে না।’’
১০:৭৮
قَالُوٓا۟তারা বলেছিলোqālūأَجِئْتَنَا"কি আমাদের কাছে তুমি এসেছোaji'tanāلِتَلْفِتَنَاযাতে তুমি আমাদেরকে সরিয়ে দিবেlitalfitanāعَمَّاতা হতে যাʿammāوَجَدْنَاপেয়েছি আমরাwajadnāعَلَيْهِউপর তারʿalayhiءَابَآءَنَاপূর্বপুরুষদেরকে আমাদেরābāanāوَتَكُونَএবং হয় (যেন)watakūnaلَكُمَاজন্যে তোমাদের দু'জনেরlakumāٱلْكِبْرِيَآءُপ্রতিপত্তিl-kib'riyāuفِىমধ্যেfīٱلْأَرْضِদেশেরl-arḍiوَمَاএবং নইwamāنَحْنُআমরাnaḥnuلَكُمَاপ্রতি তোমাদের দু'জনেরlakumāبِمُؤْمِنِينَবিশ্বাসী"bimu'minīna٧٨
তারা বলল, ‘‘তোমরা কি আমাদেরকে ঐ পথ থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য এসেছ আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে যে পথের উপর পেয়েছি আর এজন্য যে যমীনে তোমাদের দু’জনের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়? আমরা তোমাদের কথা মোটেই মেনে নেব না।’’
১০:৭৯
وَقَالَএবং বললোwaqālaفِرْعَوْنُফিরাউনfir'ʿawnuٱئْتُونِى"আমার কাছে আসোi'tūnīبِكُلِّনিয়ে প্রত্যেকbikulliسَـٰحِرٍজাদুকরকেsāḥirinعَلِيمٍۢসুদক্ষ"ʿalīmin٧٩
ফির‘আওন বলল, ‘‘সকল পারদর্শী যাদুকরদের আমার কাছে নিয়ে এসো’’।
১০:৮০
فَلَمَّاঅতঃপর যখনfalammāجَآءَআসলোjāaٱلسَّحَرَةُজাদুকররাl-saḥaratuقَالَবললোqālaلَهُمউদ্দেশ্যে তাদেরlahumمُّوسَىٰٓমূসাmūsāأَلْقُوا۟"তোমরা নিক্ষেপ করোalqūمَآযাmāأَنتُمতোমরাantumمُّلْقُونَনিক্ষেপকারী"mul'qūna٨٠
যাদুকররা যখন এসে গেল, তখন মূসা তাদেরকে বলল, ‘‘নিক্ষেপ কর তোমরা যা নিক্ষেপ করবে’’।
১০:৮১
فَلَمَّآঅতঃপর যখনfalammāأَلْقَوْا۟তারা নিক্ষেপ করলোalqawقَالَবললোqālaمُوسَىٰমূসাmūsāمَا"(ঐসব) যাmāجِئْتُمতোমরা এসেছোji'tumبِهِনিয়ে তাbihiٱلسِّحْرُ ۖজাদুl-siḥ'ruإِنَّনিশ্চয়ইinnaٱللَّهَআল্লাহl-lahaسَيُبْطِلُهُۥٓ ۖশীঘ্রই ব্যর্থ করে দিবেন তাsayub'ṭiluhuإِنَّনিশ্চয়ইinnaٱللَّهَআল্লাহl-lahaلَاনাlāيُصْلِحُপরিশুদ্ধ করেনyuṣ'liḥuعَمَلَকাজকেʿamalaٱلْمُفْسِدِينَবিপর্যয়সৃষ্টিকারীদেরl-muf'sidīna٨١
তারা যখন নিক্ষেপ করল, তখন মূসা বলল, ‘‘তোমরা যা নিয়ে এসেছ তাতো যাদু, আল্লাহ এখনই তা ব্যর্থ করে দেবেন, আল্লাহ বিশৃঙ্খলাকারীদের কাজকে সংশোধন করেন না’’।
১০:৮২
وَيُحِقُّএবং সত্যে পরিণত করবেনwayuḥiqquٱللَّهُআল্লাহl-lahuٱلْحَقَّসত্যকেl-ḥaqaبِكَلِمَـٰتِهِۦমাধ্যমে বাণীর তাঁরbikalimātihiوَلَوْএবং যদিওwalawكَرِهَঅপছন্দ করে (তা)karihaٱلْمُجْرِمُونَঅপরাধীরা"l-muj'rimūna٨٢
আল্লাহ তাঁর বাণীর সাহায্যে প্রকৃত সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করবেনই, অপরাধীদের কাছে তা যতই অপ্রীতিকর হোক না কেন।
১০:৮৩
فَمَآএরপরও নাfamāءَامَنَঈমান আনলোāmanaلِمُوسَىٰٓপ্রতি মূসার (সেদেশের লোক)limūsāإِلَّاএ ছাড়াillāذُرِّيَّةٌۭবংশধর (কিছু যুবক)dhurriyyatunمِّنমধ্য হতেminقَوْمِهِۦজাতির তারqawmihiعَلَىٰকারণেʿalāخَوْفٍۢভয়েরkhawfinمِّنথেকেminفِرْعَوْنَফিরাউনfir'ʿawnaوَمَلَإِي۟هِمْও প্রধানদের তাদেরwamala-ihimأَنযেanيَفْتِنَهُمْ ۚসে নির্যাতন করবে তাদেরকেyaftinahumوَإِنَّএবং নিশ্চয়ইwa-innaفِرْعَوْنَফিরাউন (ছিলো)fir'ʿawnaلَعَالٍۢঅবশ্যই স্বেচ্ছাচারীlaʿālinفِىমধ্যেfīٱلْأَرْضِদেশেরl-arḍiوَإِنَّهُۥএবং নিশ্চয়ই সেwa-innahuلَمِنَঅবশ্যই অন্তর্ভুক্তlaminaٱلْمُسْرِفِينَসীমালঙ্ঘনকারীদেরl-mus'rifīna٨٣
মূসার উপর তার জাতির মধ্য হতে গুটিকয়েক লোক ব্যতীত কেউ ঈমান আনেনি ফির‘আওন ও তার প্রধানদের নির্যাতনের ভয়ে। বাস্তবিকই ফির‘আওন দুনিয়াতে খুবই উদ্ধত ছিল, আর সে ছিল অবশ্যই সীমালঙ্ঘনকারীদের অন্তর্ভুক্ত।
১০:৮৪
وَقَالَএবং বললোwaqālaمُوسَىٰমূসাmūsāيَـٰقَوْمِ"হে আমার জাতিyāqawmiإِنযদিinكُنتُمْথাকো তোমরাkuntumءَامَنتُمঈমান এনেāmantumبِٱللَّهِউপর আল্লাহরbil-lahiفَعَلَيْهِতবে উপর তাঁরইfaʿalayhiتَوَكَّلُوٓا۟তোমরা নির্ভর করোtawakkalūإِنযদিinكُنتُمহও তোমরাkuntumمُّسْلِمِينَআত্মসমর্পণকারী (অর্থাৎ মুসলমান)"mus'limīna٨٤
মূসা বলেছিল, ‘‘হে আমার জাতির লোকেরা! তোমরা যদি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে থাক তাহলে তোমরা তাঁরই উপর ভরসা কর যদি তোমরা আত্মসমর্পণকারী হও’’।
১০:৮৫
فَقَالُوا۟অতঃপর তারা বললোfaqālūعَلَى"উপরʿalāٱللَّهِআল্লাহরl-lahiتَوَكَّلْنَاনির্ভর করেছি আমরাtawakkalnāرَبَّنَاহে আমাদের রবrabbanāلَاনাlāتَجْعَلْنَاবানিয়ো আমাদেরtajʿalnāفِتْنَةًۭউৎপীড়নের পাত্রfit'natanلِّلْقَوْمِজন্যে জাতিরlil'qawmiٱلظَّـٰلِمِينَ(যারা)সীমালঙ্ঘনকারীl-ẓālimīna٨٥
তখন তারা বলল, ‘‘আমরা আল্লাহর উপরই ভরসা করি, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে যালিম জাতির অত্যাচারের পাত্র করো না,
১০:৮৬
وَنَجِّنَاএবং রক্ষা করো আমাদেরকেwanajjināبِرَحْمَتِكَদ্বারা তোমার অনুগ্রহbiraḥmatikaمِنَহতেminaٱلْقَوْمِজাতিl-qawmiٱلْكَـٰفِرِينَ(যারা) কাফির"l-kāfirīna٨٦
আর তোমার অনুগ্রহে আমাদেরকে কাফির সম্প্রদায় থেকে রক্ষা কর।’’
১০:৮৭
وَأَوْحَيْنَآএবং ওহী করলাম আমরাwa-awḥaynāإِلَىٰপ্রতিilāمُوسَىٰমূসারmūsāوَأَخِيهِও তার ভাইয়ের (প্রতি)wa-akhīhiأَنযেanتَبَوَّءَا"দু'জনে স্থাপন করোtabawwaāلِقَوْمِكُمَاজন্যে তোমাদের দু'জনের জাতিরliqawmikumāبِمِصْرَমিশরেbimiṣ'raبُيُوتًۭاকিছু ঘরbuyūtanوَٱجْعَلُوا۟এবং তোমরা বানাওwa-ij'ʿalūبُيُوتَكُمْঘরগুলোকে তোমাদেরbuyūtakumقِبْلَةًۭক্বিবলাqib'latanوَأَقِيمُوا۟এবং তোমরা প্রতিষ্ঠা করোwa-aqīmūٱلصَّلَوٰةَ ۗসালাতl-ṣalataوَبَشِّرِএবং সুসংবাদ দাওwabashiriٱلْمُؤْمِنِينَমু'মিনদেরকে"l-mu'minīna٨٧
আমি মূসা আর তার ভাইয়ের প্রতি ওয়াহী করলাম যে, ‘‘মিসরে তোমাদের সম্প্রদায়ের জন্য ঘর তৈরি কর আর তোমাদের ঘরগুলোকে ‘ইবাদাত গৃহ কর, আর নামায প্রতিষ্ঠা কর এবং মু’মিনদেরকে সুসংবাদ দাও’’।
১০:৮৮
وَقَالَএবং বললোwaqālaمُوسَىٰমূসাmūsāرَبَّنَآ"হে আমাদের রবrabbanāإِنَّكَনিশ্চয়ই তুমিinnakaءَاتَيْتَতুমি দিয়েছোātaytaفِرْعَوْنَফিরাউনকেfir'ʿawnaوَمَلَأَهُۥএবং পরিবারবর্গকে তারwamala-ahuزِينَةًۭশোভাzīnatanوَأَمْوَٰلًۭاও ধনসম্পদwa-amwālanفِىমধ্যেfīٱلْحَيَوٰةِজীবনেরl-ḥayatiٱلدُّنْيَاপার্থিবl-dun'yāرَبَّنَاহে আমাদের রবrabbanāلِيُضِلُّوا۟জন্যে পথভ্রষ্ট করার(লোকদেরকে)liyuḍillūعَنহতেʿanسَبِيلِكَ ۖতোমার পথsabīlikaرَبَّنَاহে আমাদের রবrabbanāٱطْمِسْবিনষ্ট করোiṭ'misعَلَىٰٓব্যাপারকেʿalāأَمْوَٰلِهِمْসম্পদগুলোর তাদেরamwālihimوَٱشْدُدْও কঠোর করো (অর্থাৎ সীল করে দাও)wa-ush'dudعَلَىٰউপরʿalāقُلُوبِهِمْঅন্তরগুলোর তাদেরqulūbihimفَلَاফলে যেন নাfalāيُؤْمِنُوا۟তারা ঈমান আনেyu'minūحَتَّىٰযতক্ষণ নাḥattāيَرَوُا۟তারা দেখবেyarawūٱلْعَذَابَশাস্তিl-ʿadhābaٱلْأَلِيمَনিদারুণ"l-alīma٨٨
মূসা বলল, ‘‘হে আমার প্রতিপালক! তুমি ফির‘আওন আর তার প্রধানদেরকে এ পার্থিব জগতে চাকচিক্য আর ধন সম্পদ দান করেছ আর এর দ্বারা হে আমাদের রবব! তারা মানুষকে তোমার পথ থেকে বিচ্যুত করছে, হে আমার প্রতিপালক! তাদের সম্পদ ধ্বংস করে দাও, আর তাদের হৃদয়কে কঠিন করে দাও, যাতে তারা ভয়াবহ ‘আযাব দেখার পূর্ব পর্যন্ত ঈমান আনতে সক্ষম না হয় (যেহেতু তারা বার বার আল্লাহর নিদর্শন দেখেও সত্য দ্বীনের শত্রুতায় অটল হয়ে আছে)।
১০:৮৯
قَالَতিনি (আল্লাহ)বললেনqālaقَدْ"নিশ্চয়ইqadأُجِيبَتগৃহীত হলোujībatدَّعْوَتُكُمَاতোমাদের দু'জনের দু'আdaʿwatukumāفَٱسْتَقِيمَاঅতএব দু'জন দৃঢ় থাকোfa-is'taqīmāوَلَاএবং নাwalāتَتَّبِعَآنِّদু'জনে অনুসরণ করোtattabiʿānniسَبِيلَপথsabīlaٱلَّذِينَ(তাদের) যারাalladhīnaلَاনাlāيَعْلَمُونَতারা জানে"yaʿlamūna٨٩
আল্লাহ তা‘আলা জবাব দিলেন, ‘‘তোমাদের দু’জনের দু‘আ কবূল করা হল, কাজেই তোমরা মজবুত হয়ে থাক, আর তোমরা কক্ষনো তাদের পথ অনুসরণ করো না যারা কিছুই জানে না।
১০:৯০
۞ وَجَـٰوَزْنَاএবং পার করালাম আমরাwajāwaznāبِبَنِىٓসহ সন্তানদেরbibanīإِسْرَٰٓءِيلَইসরাঈলেরis'rāīlaٱلْبَحْرَসাগরl-baḥraفَأَتْبَعَهُمْঅতঃপর পিছনে ধাওয়া করলো তাদেরfa-atbaʿahumفِرْعَوْنُফিরাউনfir'ʿawnuوَجُنُودُهُۥও সৈন্যবাহিনী তারwajunūduhuبَغْيًۭاসীমালঙ্ঘনbaghyanوَعَدْوًا ۖএবং শত্রুতাবশতঃwaʿadwanحَتَّىٰٓএমনকিḥattāإِذَآযখনidhāأَدْرَكَهُপেলো তাকেadrakahuٱلْغَرَقُডুবে যাওয়া (অর্থাৎ সাগরে ডুবে যাচ্ছিলো)l-gharaquقَالَসে বললোqālaءَامَنتُ"আমি ঈমান আনলামāmantuأَنَّهُۥএই (বলে) যেannahuلَآনেইlāإِلَـٰهَকোনো ইলাহilāhaإِلَّا(তিনি) ছাড়াillāٱلَّذِىٓযিনি (সেই সত্ত্বা)alladhīءَامَنَتْঈমান এনেছেāmanatبِهِۦউপর তারbihiبَنُوٓا۟সন্তানরাbanūإِسْرَٰٓءِيلَইসরাঈলেরis'rāīlaوَأَنَا۠এবং আমিwa-anāمِنَঅন্তর্ভুক্তminaٱلْمُسْلِمِينَআত্মসমর্পনকারীদের (অর্থাৎ মুসলমানদের)"l-mus'limīna٩٠
আমি বানী ইসরাঈলকে সমুদ্র পার করিয়ে নিলাম আর ফির‘আওন ও তার সৈন্য সামন্ত ঔদ্ধত্য ও সীমালঙ্ঘন ক’রে তাদের পেছনে ছুটল, অতঃপর যখন সে ডুবতে শুরু করল তখন সে বলল, ‘আমি ঈমান আনছি যে, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই যাঁর প্রতি বানী ইসরাঈল ঈমান এনেছে, আর আমি আত্মসমর্পণকারীদের অন্তর্ভুক্ত।’
১০:৯১
ءَآلْـَٔـٰنَ"কি এখন (ঈমান আনলে)āl'ānaوَقَدْঅথচ নিশ্চয়ইwaqadعَصَيْتَতুমি অমান্য করেছোʿaṣaytaقَبْلُপূর্বেqabluوَكُنتَএবং তুমি ছিলেwakuntaمِنَঅন্তর্ভুক্তminaٱلْمُفْسِدِينَবিপর্যয়কারীদের"l-muf'sidīna٩١
‘‘এখন (ঈমান আনছ), আগে তো অমান্য করেছ আর ফাসাদকারীদের অন্তর্ভুক্ত থেকেছ।
১০:৯২
فَٱلْيَوْمَসুতরাং আজfal-yawmaنُنَجِّيكَতোমাকে আমরা রক্ষা করবোnunajjīkaبِبَدَنِكَদ্বারা তোমার শরীর (অর্থাৎ তোমার লাশকে)bibadanikaلِتَكُونَযেন তুমি হওlitakūnaلِمَنْ(তাদের) জন্যে যারাlimanخَلْفَكَতোমার পরবর্তীতে (আসবে)khalfakaءَايَةًۭ ۚএকটি নিদর্শনāyatanوَإِنَّএবং নিশ্চয়ইwa-innaكَثِيرًۭاঅনেকেkathīranمِّنَমধ্য হতেminaٱلنَّاسِমানুষেরl-nāsiعَنْসম্বন্ধেʿanءَايَـٰتِنَاনিদর্শনাবলী আমাদেরāyātināلَغَـٰفِلُونَঅবশ্যই উদাসীন"laghāfilūna٩٢
আজ আমি তোমার দেহকে রক্ষা করব যাতে তুমি তোমার পরবর্তীদের জন্য নিদর্শন হতে পার।’ অধিকাংশ মানুষই আমার নিদর্শনাবলী সম্পর্কে নিশ্চিতই উদাসীন।’’
১০:৯৩
وَلَقَدْএবং নিশ্চয়ইwalaqadبَوَّأْنَاআমরা বসবাস করিয়েছিbawwanāبَنِىٓসন্তানদেরকেbanīإِسْرَٰٓءِيلَইসরাঈলেরis'rāīlaمُبَوَّأَআবাসভূমিতেmubawwa-aصِدْقٍۢউত্তমṣid'qinوَرَزَقْنَـٰهُمও জীবিকা দিয়েছি আমরা তাদেরwarazaqnāhumمِّنَথেকেminaٱلطَّيِّبَـٰتِপবিত্র জিনিসগুলোl-ṭayibātiفَمَاঅতঃপর নাfamāٱخْتَلَفُوا۟তারা বিভেদ করেছেikh'talafūحَتَّىٰযতক্ষণ নাḥattāجَآءَهُمُকাছে এসেছে তাদেরjāahumuٱلْعِلْمُ ۚ(সত্যিকার) জ্ঞানl-ʿil'muإِنَّনিশ্চয়ইinnaرَبَّكَতোমার রবrabbakaيَقْضِىমীমাংসা করে দিবেনyaqḍīبَيْنَهُمْমাঝে তাদেরbaynahumيَوْمَদিনেyawmaٱلْقِيَـٰمَةِক্বিয়ামাতেরl-qiyāmatiفِيمَاসে বিষয়ে যাfīmāكَانُوا۟তারা ছিলোkānūفِيهِমধ্যে তারfīhiيَخْتَلِفُونَবিভেদ করতোyakhtalifūna٩٣
আমি বানী ইসরাঈলকে মর্যাদাপূর্ণ আবাসস্থলে প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম আর তাদেরকে উত্তম রিযক দিয়েছিলাম। অতঃপর তাদের কাছে (আল্লাহর প্রেরিত) সঠিক জ্ঞান আসার পূর্ব পর্যন্ত তারা মতভেদ করেনি। তারা যে বিষয়ে মতভেদ করেছিল কিয়ামাত দিবসে তোমার প্রতিপালক অবশ্যই তা মীমাংসা করে দিবেন।
১০:৯৪
فَإِنঅতঃপর যদিfa-inكُنتَহও তুমিkuntaفِىমধ্যেfīشَكٍّۢসন্দেহেরshakkinمِّمَّآতা হতে যাmimmāأَنزَلْنَآআমরা অবতীর্ণ করেছিanzalnāإِلَيْكَপ্রতি তোমারilaykaفَسْـَٔلِতবে জিজ্ঞাসা করোfasaliٱلَّذِينَ(তাদেরকে) যারাalladhīnaيَقْرَءُونَপাঠ করেyaqraūnaٱلْكِتَـٰبَকিতাবl-kitābaمِنথেকেminقَبْلِكَ ۚপূর্ব তোমারqablikaلَقَدْনিশ্চয়ইlaqadجَآءَكَকাছে এসেছে তোমারjāakaٱلْحَقُّ(প্রকৃত) সত্যl-ḥaquمِنপক্ষ হতেminرَّبِّكَতোমার রবেরrabbikaفَلَاঅতএব নাfalāتَكُونَنَّতুমি হয়োtakūnannaمِنَঅন্তর্ভুক্তminaٱلْمُمْتَرِينَসন্দিহানদেরl-mum'tarīna٩٤
আমি তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ করেছি তাতে যদি তুমি সন্দেহ পোষণ কর তাহলে তোমার পূর্বে থেকে যারা কিতাব পাঠ করে আসছে তাদেরকে জিজ্ঞেস কর। তোমার কাছে তোমার প্রতিপালকের নিকট থেকে প্রকৃত সত্য এসেছে। কাজেই তুমি কক্ষনো সন্দেহ পোষণকারীদের মধ্যে শামিল হয়ো না।
১০:৯৫
وَلَاএবং নাwalāتَكُونَنَّতুমি হয়োtakūnannaمِنَঅন্তর্ভুক্তminaٱلَّذِينَ(তাদের) যারাalladhīnaكَذَّبُوا۟মিথ্যারোপ করেছেkadhabūبِـَٔايَـٰتِপ্রতি নিদর্শনগুলোরbiāyātiٱللَّهِআল্লাহরl-lahiفَتَكُونَতাহ'লে তুমি হবেfatakūnaمِنَঅন্তর্ভুক্তminaٱلْخَـٰسِرِينَক্ষতিগ্রস্তদেরl-khāsirīna٩٥
আর তুমি কক্ষনো তাদের মধ্যে শামিল হয়ো না যারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে মিথ্যে জেনে অমান্য করে, তাহলে তুমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।
১০:৯৬
إِنَّনিশ্চয়ইinnaٱلَّذِينَযারাalladhīnaحَقَّتْসত্য প্রমাণিত হয়েছেḥaqqatعَلَيْهِمْউপর তাদেরʿalayhimكَلِمَتُবাণীkalimatuرَبِّكَতোমার রবেরrabbikaلَاনাlāيُؤْمِنُونَতারা ঈমান আনবেyu'minūna٩٦
তাদের সম্পর্কে তোমার প্রতিপালকের বাক্য সত্য প্রমাণিত হয়েছে যে, তারা ঈমান আনবে না,
১০:৯৭
وَلَوْএবং যদিwalawجَآءَتْهُمْকাছে আসে তাদেরjāathumكُلُّসবkulluءَايَةٍনিদর্শনāyatinحَتَّىٰযতক্ষণ নাḥattāيَرَوُا۟তারা দেখবেyarawūٱلْعَذَابَশাস্তিl-ʿadhābaٱلْأَلِيمَনিদারুণl-alīma٩٧
এমনকি তাদের কাছে প্রত্যেকটি নিদর্শন আসলেও- যে পর্যন্ত না তারা ভয়াবহ শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে।
১০:৯৮
فَلَوْلَاঅতঃপর কেন নাfalawlāكَانَتْ(এমন) হলো যেkānatقَرْيَةٌজনপদবাসীqaryatunءَامَنَتْ(শাস্তি আসার পূর্বেই) ঈমান আনতোāmanatفَنَفَعَهَآতাহ'লে উপকারে আসতো তারfanafaʿahāإِيمَـٰنُهَآতার ঈমান (আনা)īmānuhāإِلَّاতবে (ব্যতিক্রম)illāقَوْمَজাতিqawmaيُونُسَইউনুসেরyūnusaلَمَّآযখন (শাস্তি দেখে)lammāءَامَنُوا۟তারা ঈমান এনেছিলোāmanūكَشَفْنَاসরিয়ে দিয়েছি আমরাkashafnāعَنْهُمْথেকে তাদেরʿanhumعَذَابَশাস্তিʿadhābaٱلْخِزْىِঅপমানজনকl-khiz'yiفِىমধ্যেfīٱلْحَيَوٰةِজীবনেরl-ḥayatiٱلدُّنْيَاপার্থিবl-dun'yāوَمَتَّعْنَـٰهُمْও ভোগের সুযোগ দিয়েছি আমরা তাদেরকেwamattaʿnāhumإِلَىٰপর্যন্তilāحِينٍۢএক নির্দিষ্ট সময়ḥīnin٩٨
এমন কোন জনপদের দৃষ্টান্ত আছে কি যে তারা (শাস্তি দেখার পর) ঈমান আনল আর তাদের ঈমান উপকারে আসল- একমাত্র ইউনুসের সম্প্রদায় ছাড়া? তারা যখন ঈমান আনল, তখন আমি দুনিয়ার জীবনে তাদের থেকে হীনতাব্যঞ্জক ‘আযাব সরিয়ে দিলাম, আর একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তাদেরকে জীবন উপভোগ করার সুযোগ দিলাম।
১০:৯৯
وَلَوْএবং যদিwalawشَآءَইচ্ছে করতেনshāaرَبُّكَরব তোমারrabbukaلَـَٔامَنَঅবশ্যই ঈমান আনতোlaāmanaمَنযারাmanفِىমধ্যে (আছে)fīٱلْأَرْضِপৃথিবীরl-arḍiكُلُّهُمْসবাই তাদেরkulluhumجَمِيعًا ۚএকসাথেjamīʿanأَفَأَنتَকি তবে তুমিafa-antaتُكْرِهُজবরদস্তি করবেtuk'rihuٱلنَّاسَমানুষদেরকেl-nāsaحَتَّىٰযতক্ষণ নাḥattāيَكُونُوا۟তারা হবেyakūnūمُؤْمِنِينَমু'মিনmu'minīna٩٩
তোমার প্রতিপালক ইচ্ছে করলে দুনিয়ার সমস্ত লোক অবশ্যই ঈমান আনত, তাহলে কি তুমি ঈমান আনার জন্য মানুষদের উপর জবরদস্তি করবে?
১০:১০০
وَمَاএবং নয়wamāكَانَসম্ভবkānaلِنَفْسٍজন্যে কোনো ব্যক্তিরlinafsinأَنযেanتُؤْمِنَসে ঈমান আনবেtu'minaإِلَّاছাড়াillāبِإِذْنِনিয়ে অনুমতিbi-idh'niٱللَّهِ ۚআল্লাহরl-lahiوَيَجْعَلُএবং তিনি রাখবেনwayajʿaluٱلرِّجْسَঅপবিত্রতাl-rij'saعَلَىউপরʿalāٱلَّذِينَ(তাদের) যারাalladhīnaلَاনাlāيَعْقِلُونَবুঝতে পারেyaʿqilūna١٠٠
আল্লাহর অনুমতি ব্যতিরেকে কেউ ঈমান আনতে পারবে না, আর যারা বিবেক বুদ্ধি খাটায় না, আল্লাহ তাদের উপর গুমরাহী চাপিয়ে দেন।
১০:১০১
قُلِ(তুমি) বলোquliٱنظُرُوا۟"তোমরা লক্ষ্য করোunẓurūمَاذَاকিmādhāفِىমধ্যে (আছে)fīٱلسَّمَـٰوَٰتِআকাশসমূহেরl-samāwātiوَٱلْأَرْضِ ۚএবং পৃথিবীর"wal-arḍiوَمَاএবং নাwamāتُغْنِىউপকারে আসেtugh'nīٱلْـَٔايَـٰتُনিদর্শনসমূহl-āyātuوَٱلنُّذُرُআর (না) সতর্কীকরণwal-nudhuruعَنজন্যেʿanقَوْمٍۢ(সেই) জাতিরqawminلَّاনাlāيُؤْمِنُونَ(যারা) ঈমান আনেyu'minūna١٠١
বল ‘‘আসমানসমূহ আর যমীনে যা কিছু আছে তার দিকে চেয়ে দেখ, যারা ঈমান আনে না তাদের জন্য নিদর্শনাবলী আর ভয়-ভীতি প্রদর্শন কোন কাজে আসে না।
১০:১০২
فَهَلْতবে কিfahalيَنتَظِرُونَতারা অপেক্ষা করছেyantaẓirūnaإِلَّاএ ছাড়াillāمِثْلَঅনুরূপ (খারাপ)mith'laأَيَّامِদিনগুলোরayyāmiٱلَّذِينَ(তাদের) যারাalladhīnaخَلَوْا۟অতিবাহিত হয়েছেkhalawمِنথেকেminقَبْلِهِمْ ۚপূর্ব তাদেরqablihimقُلْবলোqulفَٱنتَظِرُوٓا۟"তবে তোমরা অপেক্ষা করোfa-intaẓirūإِنِّىনিশ্চয়ই আমিinnīمَعَكُمসাথে তোমাদেরmaʿakumمِّنَঅন্তর্ভুক্তminaٱلْمُنتَظِرِينَঅপেক্ষাকারীদের"l-muntaẓirīna١٠٢
তবে তারা কি তাদের পূর্বে যে সব দিনগুলো ঘটে গেছে সে রকম ঘটা ছাড়া অন্য কিছুর অপেক্ষা করছে? বল, ‘‘তাহলে অপেক্ষা কর, আমিও তোমাদের সাথে অপেক্ষমান থাকলাম।’’
১০:১০৩
ثُمَّএরপরthummaنُنَجِّىউদ্বার করবো আমরাnunajjīرُسُلَنَاরাসূলদেরকে আমাদেরrusulanāوَٱلَّذِينَও যারাwa-alladhīnaءَامَنُوا۟ ۚঈমান এনেছিলো (তাদের সাথে)āmanūكَذَٰلِكَএভাবেkadhālikaحَقًّا(এটা) দায়িত্বḥaqqanعَلَيْنَاউপর আমাদেরʿalaynāنُنجِউদ্ধার করাnunjiٱلْمُؤْمِنِينَমু'মিনদেরকেl-mu'minīna١٠٣
অবশেষে আমি আমার রসূলদেরকে আর মু’মিনদেরকে রক্ষা করি, এভাবে মু’মিনদেরকে রক্ষা করা আমার কর্তব্য।
১০:১০৪
قُلْবলোqulيَـٰٓأَيُّهَا"হেyāayyuhāٱلنَّاسُ"মানুষl-nāsuإِنযদিinكُنتُمْতোমরা হয়ে থাকোkuntumفِىমধ্যেfīشَكٍّۢসন্দেহেরshakkinمِّنসম্পর্কেminدِينِىআমার দীনdīnīفَلَآতবে (জেনে রাখো) নাfalāأَعْبُدُআমি ইবাদত করিaʿbuduٱلَّذِينَ(তাদেরকে) যাদেরalladhīnaتَعْبُدُونَতোমরা উপাসনা করোtaʿbudūnaمِنদিয়েminدُونِবাদdūniٱللَّهِআল্লাহরl-lahiوَلَـٰكِنْবরংwalākinأَعْبُدُআমি ইবাদাত করিaʿbuduٱللَّهَআল্লাহরইl-lahaٱلَّذِىযিনিalladhīيَتَوَفَّىٰكُمْ ۖমৃত্যু ঘটান তোমাদেরyatawaffākumوَأُمِرْتُএবং আমি আদিষ্ট হয়েছিwa-umir'tuأَنْযেanأَكُونَ(যেন) আমি হইakūnaمِنَঅন্তর্ভুক্তminaٱلْمُؤْمِنِينَমু'মিনদের"l-mu'minīna١٠٤
বল, ‘‘হে মানুষ! আমার দ্বীন সম্পর্কে যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে তাহলে জেনে রেখ, তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যার ‘ইবাদাত কর, আমি তাদের ‘ইবাদাত করি না, বরং আমি আল্লাহর ‘ইবাদাত করি যিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটান, আর আমি আদিষ্ট হয়েছি মু’মিনদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য।
১০:১০৫
وَأَنْএবং (এও) যেwa-anأَقِمْ"প্রতিষ্ঠিত করোaqimوَجْهَكَচেহারাকে তোমার (লক্ষ্যকে)wajhakaلِلدِّينِজন্যে দীনেরlilddīniحَنِيفًۭاএকনিষ্ঠভাবেḥanīfanوَلَاএবং নাwalāتَكُونَنَّতোমরা হয়োtakūnannaمِنَঅন্তর্ভুক্তminaٱلْمُشْرِكِينَমুশরিকদেরl-mush'rikīna١٠٥
আর আমাকে এও আদেশ দেয়া হয়েছে যে, তুমি দ্বীনের দিকে তোমার মুখ প্রতিষ্ঠিত কর একনিষ্ঠভাবে, আর তুমি কক্ষনো মুশরিকদের মধ্যে শামিল হয়ো না।
১০:১০৬
وَلَاএবং নাwalāتَدْعُতুমি ডেকো (অন্য কাউকে)tadʿuمِنদিয়েminدُونِবাদdūniٱللَّهِআল্লাহl-lahiمَاযাmāلَاনাlāيَنفَعُكَতোমার উপকার করতে পারেyanfaʿukaوَلَاআর নাwalāيَضُرُّكَ ۖতোমার অপকার করতে পারেyaḍurrukaفَإِنঅতঃপর যদিfa-inفَعَلْتَতুমি করো (তা)faʿaltaفَإِنَّكَতবে নিশ্চয়ই তুমিfa-innakaإِذًۭاতখনidhanمِّنَঅন্তর্ভুক্ত হবেminaٱلظَّـٰلِمِينَসীমালঙ্ঘনকারীদের"l-ẓālimīna١٠٦
আর আল্লাহকে বাদ দিয়ে আহবান করো না এমন কিছুকে যা না পারে তোমার কোন উপকার করতে, আর না পারে ক্ষতি করতে; যদি তুমি তা কর তাহলে তুমি যালিমদের মধ্যে শামিল হয়ে যাবে।
১০:১০৭
وَإِنএবং যদিwa-inيَمْسَسْكَতোমাকে স্পর্শ করেনyamsaskaٱللَّهُআল্লাহl-lahuبِضُرٍّۢদিয়ে কষ্টbiḍurrinفَلَاতবে নেইfalāكَاشِفَমোচনকারীkāshifaلَهُۥٓজন্যে তারlahuإِلَّاএ ছাড়াillāهُوَ ۖতিনিইhuwaوَإِنএবং যদি (আল্লাহ)wa-inيُرِدْكَতোমার জন্যে চানyurid'kaبِخَيْرٍۢবিষয় কল্যাণেরbikhayrinفَلَاতবে নেইfalāرَآدَّকোনো রদকারীrāddaلِفَضْلِهِۦ ۚজন্যে অনুগ্রহের তাঁরlifaḍlihiيُصِيبُতিনি পৌঁছানyuṣībuبِهِۦসহ তাbihiمَنযাকেmanيَشَآءُতিনি ইচ্ছে করেনyashāuمِنْমধ্য হতেminعِبَادِهِۦ ۚদাসদের তাঁরʿibādihiوَهُوَএবং তিনিwahuwaٱلْغَفُورُক্ষমাশীলl-ghafūruٱلرَّحِيمُপরম দয়ালুl-raḥīmu١٠٧
আল্লাহ যদি তোমাকে কষ্ট দিতে চান তাহলে তিনি ছাড়া তা দূর করার কেউ নেই, আর আল্লাহ যদি তোমার কল্যাণ করতে চান, তাহলে তাঁর অনুগ্রহ রদ করার কেউ নেই। তিনি তাঁর বান্দাহদের মধ্যে যাকে চান অনুগ্রহ দিয়ে ধন্য করেন। তিনি বড়ই ক্ষমাশীল, বড়ই দয়ালু।
১০:১০৮
قُلْবলোqulيَـٰٓأَيُّهَا"হেyāayyuhāٱلنَّاسُ"মানুষl-nāsuقَدْনিশ্চয়ইqadجَآءَكُمُকাছে এসেছে তোমাদেরjāakumuٱلْحَقُّ(প্রকৃত)সত্যl-ḥaquمِنপক্ষ হতেminرَّبِّكُمْ ۖরবের তোমাদেরrabbikumفَمَنِঅতএব যেfamaniٱهْتَدَىٰসঠিক পথ পেলোih'tadāفَإِنَّمَاতবে প্রকৃতপক্ষেfa-innamāيَهْتَدِىসে সঠিকপথ পায়yahtadīلِنَفْسِهِۦ ۖজন্যে তার নিজের (মঙ্গলের)linafsihiوَمَنএবং যেwamanضَلَّপথভ্রষ্ট হলোḍallaفَإِنَّمَاতবে প্রকৃতপক্ষেfa-innamāيَضِلُّসে পথভ্রষ্ট হয়yaḍilluعَلَيْهَا ۖজন্যে তার (ক্ষতির)ʿalayhāوَمَآএবং নইwamāأَنَا۠আমিanāعَلَيْكُمউপর তোমাদেরʿalaykumبِوَكِيلٍۢকোনো কর্মবিধায়ক"biwakīlin١٠٨
বল, ‘‘হে মানুষ! তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হতে তোমাদের কাছে প্রকৃত সত্য এসে পৌঁছেছে। অতঃপর যে সঠিক পথ অবলম্বন করবে, সে নিজের কল্যাণের জন্যই সঠিক পথ ধরবে। আর যারা পথভ্রষ্ট হবে তারা পথভ্রষ্ট হবে নিজেদেরই ক্ষতি করার জন্য, আমি তোমাদের হয়ে কাজ উদ্ধার করে দেয়ার কেউ নেই।
১০:১০৯
وَٱتَّبِعْএবং তুমি অনুসরণ করোwa-ittabiʿمَاযা কিছুmāيُوحَىٰٓওহী করা হয়েছেyūḥāإِلَيْكَপ্রতি তোমারilaykaوَٱصْبِرْএবং ধৈর্য ধরোwa-iṣ'birحَتَّىٰযতক্ষণ নাḥattāيَحْكُمَমীমাংসা করে দেনyaḥkumaٱللَّهُ ۚআল্লাহl-lahuوَهُوَএবং তিনিwahuwaخَيْرُউত্তমkhayruٱلْحَـٰكِمِينَমীমাংসাকারীদেরl-ḥākimīna١٠٩
তোমার নিকট যে ওয়াহী অবতীর্ণ করা হয়েছে তুমি তার অনুসরণ কর আর তুমি ধৈর্য্য অবলম্বন কর যে পর্যন্ত না আল্লাহ ফায়সালা প্রদান করেন। বস্তুতঃ তিনিই হলেন সর্বোত্তম ফায়সালাকারী।
—
—
—
—
লোড হচ্ছে…